ওঙ্কার ডেস্ক: ২০২৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোট পড়ল প্রায় ৬৫ শতাংশ। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৮টি জেলায় ১২১টি বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ৩.৭৫ কোটিরও বেশি ভোটার অংশ নেন। ভোট পড়েছে ৬৪.৬৬ শতাংশ, যা বিহারের নির্বাচনী ইতিহাসে একটি রেকর্ড। বিহারে এবারই প্রথম দফার মোট ৪৫,৩৪১টি বুথের পুরোটাই লাইভ ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
প্রথম দফার নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ আরও তাৎপর্যপূর্ণ কারণ রাজ্যের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা বা এসআইআর এর কারণে দরিদ্র ও প্রান্তিক গোষ্ঠীর ভোটারদের বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিল বিরোধীরা। সাধারণত ধারণা করা হয়, ভোটদানের হার বাড়লে সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান বিরোধী একটি হাওয়া কাজ করে। এ ক্ষেত্রে ইন্ডিয়া জোট নির্বাচনী প্রচারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রত্যেক পরিবার পিছু এক জনের সরকারি চাকরি দেওয়ার। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এর ফলে মানুষ ভোটমুখী হয়ে থাকতে পারে। অন্য দিকে এনডিএ শিবিরও দাবি করেছে, তারাই ক্ষমতায় আসতে চলেছে। এর আগে ২০১০ সালে, নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে জোট বেঁধে জয়লাভ করেছিল; সেবারে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫২.৭৩ শতাংশ। জেডিইউ একাই ১১৫টি আসন পেয়েছিল সেবারে।
২০১৫ সালে বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের আগে নীতিশ কুমার লালু যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল। সে বারে ভোটদানের হার ছিল ৪.১৮ শতাংশ বেশি। নীতিশ-লালু জোট সে বারে জয়লাভ করে। পাঁচ বছর পর, নীতিশ কুমার আবার বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধে। সেই জোট বিহারে আবারও নির্বাচনে জয়লাভ করে, যদিও জেডিইউ এর আসন সংখ্যা ২৮টি কমে যায়। তখন ভোটদানের হার ছিল ৫৭.২৯ শতাংশ, যা গত নির্বাচনের তুলনায় .৩৮ শতাংশ বেশি।