ওঙ্কার ডেস্ক : রোহিণীর পরিবার ছাড়ার সিদ্ধান্তে শোরগোল লালু পরিবারে। তেজপ্রতাপের পর এবার পরিবার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লালুকন্যা রোহিণী আচার্য। তেজস্বীর বোন পরিবারের পাশাপাশি রাজনীতি ছাড়ার কথা ঘোষণা করায় কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। তবে লালুকন্যা তাঁর বক্তব্যে দুটি নাম উচ্চারণ করেছেন, একজন সঞ্জয় যাদব, আরেকজন রামিজ খান। এই দুজনের বিরুদ্ধে রোহিণী অভিযোগ করেছেন, তাঁর দল ও পরিবার ছাড়ার পিছনে এঁরাই দায়ী।
সাংবাদিকদের রোহিণী বলেন, ‘সঞ্জয় যাদব আর রামিজকে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন। ওরাই আমাকে পরিবার থেকে বার করে দিয়েছে।’ উল্লেখ্য, তেজস্বী যাদবের দল গত বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম স্থানে ছিল। এ বারে তা তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে। কিন্তু কে এই সঞ্জয় এবং রামিজ? বিহারের রাজনীতিতে সঞ্জয় যাদব মোটামুটি পরিচিত একটি নাম। লালুপুত্র তেজস্বী যাদবের ঘনিষ্ঠ সঞ্জয় ২০১২ সাল থেকে আরজেডির হয়ে কাজ করছেন। ২০২৪ সালে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করা হয়েছিল আরজেডির তরফে। পাশাপাশি রামিজও তেজস্বীর বন্ধু। মূলত তেজস্বী যখন ক্রিকেট খেলতেন সেই সময় থেকে রামিজের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের সূচনা হয়। রামিজ নিজেও একদা পেশাদার ক্রিকেটার ছিলেন।
উল্লেখ্য এর আগে লালুপ্রসাদ যাদব বড় ছেলে তেজপ্রতাপ যাদবকে দল এবং পরিবার থেকে বহিস্কার করেছেন। এ বার রোহিণী আচার্য দল ও পরিবার ছাড়ায় চর্চায় উঠে এসেছে লালু পরিবারের কোন্দল। বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছে শুক্রবার। তার ২৪ ঘন্টা যেতে না যেতে রোহিণী এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। এই নির্বাচনে আরজেডি-সহ মহাজোটের দলগুলি বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। তেজস্বী যাদবের নেতৃত্বে আরজেডি বিহার বিধানসভায় ২৫ আসনের বেশি পায়নি।
