নিজস্ব প্রতিনিধি : বীরভূমের নানুর বিধানসভা এলাকায় অবৈধভাবে বালি তোলার বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালাল বীরভূম জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার গভীর রাতে জেলাশাসক বিধান রায়ের নেতৃত্বে নানুরের পালিতপুর প্রতাপপুর চক এলাকায় অভিযান চালায় প্রশাসন। ১৫টির বেশি ডাম্পার, ৪টি এক্সকাভেটর ও ২টি নৌকার উপর বসানো সাকশন মেশিন আটক করা হয়েছে। ডিএম- এর অবৈধ বালিঘাট অভিযান ঘিরে চাঞ্চল্য গোটা জেলায়।
অভিযোগ, অজয় সেতু লোচনদাস সেতু সংলগ্ন নতুনহাট এলাকায় অজয় নদের বাঁধ কেটে ও সাকশন পাইপ ব্যবহার করে বালি তোলা হচ্ছিল। ওই অভিযানে ১৫টির বেশি ডাম্পার, ৪টি এক্সকাভেটর ও ২টি নৌকার উপর বসানো সাকশন মেশিন আটক করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অজয় নদে এরকমভাবে অবৈধভাবে বালি লুটের ঘটনা ঘটলেও নানুর থানা বা ব্লক প্রশাসনের তরফে কখনও অভিযান চালানো হয়নি বলে অভিযোগ। তারই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে নিজেই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেন জেলাশাসক। আর তাতেই মেলে সাফল্য। এই ঘটনায় নজরদারিতে চরম গাফিলতির জন্য নানুরের বিডিও, সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও বিএল অ্যান্ড এলআরও-কে জেলাশাসক তিরস্কার করেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূম জেলা তৃণমূলের সংগঠন পরিচালনায় কোর কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। এই কমিটির সদস্যরা জেলায় ১১ টি বিধানসভা পৃথকভাবে দায়িত্ব আছে। নানুর ও কেতুগ্রাম বিধানসভার তৃণমূলের সংগঠনের দায়িত্বে কাজল। সেই নানুরে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে রাজ্য সরকারের চোখে ধুলো দিয়ে রাতের অন্ধকারে অজয় নদ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা বালি চুরি করছে বালি মাফিয়ারা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, এলাকার জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে। তাহলে কি তাদের ইন্ধনে অজয় নদ গর্ভে থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রাকৃতিক সম্পদ লুট করছে মাফিয়ারা ? প্রশ্ন সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলের।
