ওঙ্কার ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণার পর রাজ্য প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ একাধিক কর্তাকে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে সরব হয়েছে বিদায়ী শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকি বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত। এই সংক্রান্ত মামলায় এবার কলকাতা হাইকোর্ট জোড়াফুল শিবিরের মামলা খারিজ করে দিল। সেই সঙ্গে একাধিক পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন বিচারপতি।
মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রশাসনিক আধিকারিকদের অল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব বা কর্মস্থল থেকে সরানো হচ্ছে। প্রতিটি বদলির কারণ ব্যাখ্যা করার বাধ্যবাধকতা কমিশনের নেই। অন্ধ্রপ্রদেশ হাই কোর্টও পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল, নির্বাচনের সময় আধিকারিকদের বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশন কারণ দর্শাতে বাধ্য নয়। এদিন আদালত মামলা খারিজ করে দেয়। তবে জানানো হয়, মামলাকারীদের কোনও জরিমানা করা হচ্ছে না। তবে এই রায়ের কারণে কোনও আধিকারিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে, তিনি আলাদা করে নিজের বদলি চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।
এদিন আদালতে কমিশনের আইনজীবী যুক্তি দেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। দেশের বাকি যে সমস্ত রাজ্যে ভোট হচ্ছে, সব জায়গার পরিস্থিতি এক নয়। গোটা বিষয়টি পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ বলে দাবি কমিশনের আইনজীবীর। অন্য দিকে, রাজ্যের বিডিও এবং বিভিন্ন থানার ওসি-সহ ২৬৭ জন আধিকারিককে বদলির নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন মামলা দায়েরেরও অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু মঙ্গলবার সেই মামলাও খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।