স্পোর্টস ডেস্ক : শনিবার কলকাতা লিগের ডার্বি কল্যাণী স্টেডিয়ামে। এবারে নতুন আঙ্গিকে ডার্বি। অনলাইন টিকিট, ফ্যান পার্ক, খাবার স্টল, অনেক কিছু নতুন হবে কল্যাণীর ডার্বিতে। অনলাইন টিকিট কেটে আবার লাইন দিয়ে ফিজিকাল টিকিট তুলতে হবে না। প্রত্যেক গেটে স্ক্যানার। অফলাইন টিকিটও থাকছে। এদিন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত কল্যাণীর পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন। যদিও কল্যাণীতে ডার্বি নিয়ে মোহনবাগান কর্তৃপক্ষ সমালোচনা করে আইএফএকে পাল্টা দেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত।
মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বসু বললেন,’টাকা বাঁচানোর কথা ভেবে আইএফএ যুবভারতীতে ডার্বি করছে না। এত বছর পর নিশ্চয়ই আইএফএ–কে ডার্বির গুরুত্ব বোঝানোর প্রয়োজন নেই।’ মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত আবার বললেন,’আমরা আইএসএলের ম্যাচে ক্ষতি হবে জেনেও যুবভারতীতে করি। অনেক ম্যাচে মাঠ ভরে না। সবসময় লাভ দেখলে চলে না।’ উত্তরে আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত বললেন, ‘দুই প্রধানই জুনিয়র দল খেলায়। ফলে গতবার যুবভারতীতে করা হয় দেখা যায় ১৫-২০ হাজার লোক হচ্ছে। যুবভারতীতে করা হলে অতিরিক্ত খরচা একইসঙ্গে ৬৬ হাজার যুবভারতীতে ২০ হাজার দর্শক দেখতেও ভালো লাগে না। আর কিশোরভারতী স্টেডিয়াম জনবসতিপূর্ণ জায়গায় সেখানে ডার্বির মত ম্যাচ পুলিশ করার জন্য অনুমতি দেয়নি। কল্যাণীর যা ক্যাপাসিটি সবদিকে ঠিক আছে। ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগান সমর্থকদের আলাদা গ্যালারি করা হবে। আর মোহনবাগানকে মনে রাখা ভালো কয়েকবছর আগেও তারা আই লিগের ম্যাচ কল্যাণীতেই খেলত সবদিক বিচার করে। সেটা যেন ওরা মনে রাখে।’
