অঞ্জন চট্টোপাধ্যায়
বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান অধিনায়ক তথা প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জেলবন্দী কয়েক বছর ধরে। তাকে ঘিরে পাক সরকারের উপর চাপ বাড়ছে গোটা বিশ্ব থেকে। আগেই প্রাক্তন সারা বিশ্বের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়করা ইমরানের ভালো চিকিৎসার জন্য চিঠি দেন পাক সরকারকে। নেতৃত্বে ছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল।এবার অস্ট্রেলিয়ার সাতজন প্রাক্তন অধিনায়ক তাঁদের দেশের বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং-এর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তিনি পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে এভাবে টানা আটকে রাখার বিষয়ে কূটনৈতিকভাবে হস্তক্ষেপ করেন।
একইসঙ্গে তাঁরা জেলে ইমরান খানের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।আর সবকিছু হচ্ছে গ্রেগ চ্যাপেলের নেতৃত্বে। চ্যাপেল ইমরান খানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ওং-এর সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্যোগ নিয়েছেন এবং বিদেশমন্ত্রীকে চিঠি লেখার বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার আরও ছয়জন প্রাক্তন অধিনায়কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। বাকিরা হলেন- অ্যালান বর্ডার, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজস, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়া।
তাঁরা চিঠিতে বলেন, “গ্রেগ চ্যাপেল ২০২২ সালে ইসলামাবাদে ইমরান খানের সঙ্গে শেষবার দেখা করেছিলেন-তখন খান প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চ্যাপেলের মতে, তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ সুস্থ ও কর্মক্ষম। তাঁর বন্দিদশা নিয়ে বর্তমানে যেসব খবর পাওয়া যাচ্ছে, তার সঙ্গে সেই সময়ের চেহারার কোনও মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। আর ঠিক এ কারণেই আমরা আজ আপনাদের চিঠি লিখছি-কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক হিসেবে কারণ আমরা মনে করেছি যে, আমাদের এ বিষয়ে কথা বলা উচিত। মিস্টার খান পাকিস্তানকে তাদের একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের পথে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও তিনি তাঁর দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অস্ট্রেলীয়রা তাঁকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। একজন ক্রিকেটার হিসেবে, যাঁর দক্ষতা ও নেতৃত্ব আমাদের প্রিয় এই খেলার ওপর এক গভীর ও স্থায়ী ছাপ ফেলেছে ; এবং এমন এক ব্যক্তি হিসেবে, যিনি ক্যানসার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পাকিস্তানি জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করেছেন।’