ওঙ্কার ডেস্কঃ আনন্দপুর কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২১ জন। পুলিশের খাতায় এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ ২৮। প্রশাসনের তরফে তল্লাশি চলছে পুরো দমে। বৃহস্পতিবার জেসিবি দিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া টিনের শেড সরিয়ে নিখোঁজদের খোঁজ চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার কথা শুভেন্দু অধিকারী-সহ একাধিক বিজেপি নেতার।তার আগে বুধবার রাত থেকে জারি হয়েছে ১৬৩ ধারা। সেকারণে এলাকায় জমায়েত ও যাতায়াতের উপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
রবিবার রাতের পর বদলে গিয়েছে আনন্দপুরের নাজিরাবাদের মোমো কারখানা ও গুদাম। সেখানে এখন ধ্বংসস্তূপ আর পোড়া গন্ধ। নিখোঁজদের পরিবার এখনও প্রিয়জনের খোঁজ হন্যে হয়ে ঘুরছেন। সূত্রের খবর, উদ্ধার হওয়া ২১টি দেহাংশের পরিচয় নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার থেকেই ডিএনএ ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু হতে পারে। নিহতদের পরিচয় জানার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসন।
প্রসঙ্গত, এই অগ্নিকাণ্ডে প্রশ্নে মুখে ব্র্যান্ডেড মোমো কারখানা। বুধবার এই বিষয়ে সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, পাশের গুদামে অনুমোদন ছাড়াই রান্না চলছিল। সেখান থেকেই আগুন লাগে। যা ছড়িয়ে যায় ওই মোমো তৈরির কারখানায়। বিবৃতিতে সংস্থার তরফে লেখা হয়েছে, আমাদের দু’জন কর্মীর মৃত্যু এবং এক জন চুক্তিবদ্ধ নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা, এবং আজীবন মৃতদের পরিবারের সদস্যরা মাসোহারা পাবেন। মৃতদের সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব সংস্থা নেবে বলেও জানানো হয়েছে। যদিও ঘটনার এত পরে সংস্থার তরফে বিবৃতি আসায় একাধিক প্রশ্ন উঠছে। মোমো তৈরির সংস্থা পাশের গুদামের ঘাড়ে দায় ঠেলল কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
