ওঙ্কার ডেস্ক: আর কয়েক দিন পর আলোর উৎসবে মাতবে গোটা রাজ্য। শহর কলকাতার মানুষও এই উৎসবে সামিল হবেন। ২০ অক্টোবর কালীপুজোর সময় কোথাও যাতে কোনও অঘটন না ঘটে তার জন্য সতর্ক প্রশাসন। পাশাপশি প্রস্তুত রয়েছে দমকল দফতরও। দীপাবলি, জগদ্ধাত্রী পুজো ও ছটপুজোকে মাথায় রেখে বৃহস্পতিবার নিউ টাউনের অগ্নিনির্বাপন দফতরে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। ছিলেন বিভিন্ন জেলার আধিকারিকরা।
বৈঠকের পর এদিন মন্ত্রী জানান, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে ১৬৬টি ফায়ার স্টেশন রয়েছে। উৎসবের মরশুম চলছে, সেই উপলক্ষে আরও ৫১টি অস্থায়ী ফায়ার স্টেশন গড়ে তোলা হচ্ছে। বিশেষ নজর দেওয়া হবে চন্দননগর, বারাসত, কৃষ্ণনগর, নৈহাটি ও বিভিন্ন বাজি বাজার এলাকায়। সূত্রের খবর, কালীপুজোর আগের দিন, অর্থাৎ ১৯ অক্টোবর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় নামবে দমকল বাহিনীর আধিকারিক ও কর্মীরা। সুজিত বসু জানান, দমকলের হাতে থাকা মোটরসাইকেলগুলিও এই সময়ে ব্যবহার করা হবে। মূলত দ্রুত পৌঁছনোর জন্য এই সিদ্ধান্ত। কালীপুজোর পরেই রয়েছে ছটপুজো। এই ছটপুজো উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গায় নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। সুজিত বসু বলেন, ‘ছট পুজোর সময় ঘাটে ঘাটে এবং ক্যাম্প এলাকায় দমকলের বিশেষ দল মোতায়েন থাকবে।’
সূত্রের দাবি, জগদ্ধাত্রী পুজো নিয়েও সতর্ক প্রশাসন। বিশেষ ভাবে এই প্রস্তুতি চলছে। চন্দননগরে চার দিন ধরে চলা জগদ্ধাত্রী পুজোয় যে ভিড় হয় তা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কলকাতা শহরেও অতিরিক্ত নজরদারি থাকবে।
