ওঙ্কার ডেস্ক: রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের পণ্যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, মস্কোর কাছ থেকে খনিজ তেল কিনে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সাহায্য করছে নয়াদিল্লি। এ বার ভারতের পণ্যে শুল্ক কমানোর কথা বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। তবে তার জন্য শর্ত দিয়েছেন ট্রাম্প। জানানো হয়েছে, ভারত যদি রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দেয় তাহলে শুল্ক কমে যাবে। শুধু তাই নয়, চূড়ান্ত করা হতে পারে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি।
২০২৫ সালে ভারতের পণ্যে দু’বার শুল্ক আরোপ করে ওয়াশিংটন। যার মধ্যে একটি কারণ ছিল ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে ভারতের খনিজ তেল কেনা, অপরটি ছিল রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য। শুধু রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। ভারতীয় পণ্যে মোট ৫০ শতাংশ হারে শুল্ক চাপিয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের উপর আগে শুল্ক চাপানো হলেও বর্তমানে কেন সেই দেশ থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের কাছে তদ্বির করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র? আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমানে ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি বদলেছে। গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে অপহরণ করেছে ট্রাম্পের বাহিনী। দেশটির তেল ভাণ্ডার এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে। তাই সেই তেল কেনার জন্য মোদী সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছে ওয়াশিংটন।
অসমর্থিত সুত্রের খবর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নতি ঘড়াতে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা ইতিমধ্যে কমাতে শুরু করেছে ভারত। বর্তমানে প্রতি দিন ১২ লক্ষ ব্যারেল করে রুশ তেল কেনে নয়াদিল্লি। আগামী ফেব্রুয়ারিতে সেই সংখ্যাটা কমিয়ে ১০ লক্ষ করা হবে। মার্চে তা আরও কমিয়ে করা হবে দিন প্রতি ৮ লক্ষ ব্যারেল। তবে সরকারি ভাবে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
