ওঙ্কার ডেস্ক: দীর্ঘ বিরতির পর ফের পাকিস্তানের মাটিতে পা রাখতে চলেছেন কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ইসলামাবাদ সফরে যেতে পারেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, এমনই দাবি করেছে পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যম। রয়টার্সও এই খবর প্রকাশ করেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত ইসলামাবাদ বা হোয়াইট হাউসের তরফে সরকারি ভাবে সফরের কোনও ঘোষণা হয়নি, তবুও এই গুঞ্জন হাওয়ায় উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না একেবারেই। ট্রাম্পের সফরের কথা যদি সত্যিই হয়, তবে ২০০৬ সালের জর্জ ডব্লিউ বুশের পাকিস্তান সফরের পরে এই প্রথম হোয়াইট হাউসের শীর্ষ নেতৃত্ব ইসলামাবাদে পা রাখবেন। পাকিস্তানের পর তিনি দিল্লি সফরেও আসতে পারেন বলেই খবর মিলছে। তবে পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ এশিয়া ভ্রমন বিষয়ে তাঁর কাছে কোনও তথ্য নেই।
উল্লেখযোগ্যভাবে, সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত সংঘর্ষবিরতি নিয়ে একাধিক বার মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, তিনিই ব্যবসার প্রসঙ্গ তুলে দুইদেশের মধ্যে সংঘর্ষ থামিয়েছেন। যদিও নয়াদিল্লি বারবার স্পষ্ট করেছে, কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা হয়নি, বাণিজ্যের কথাও আলোচনায় আসেনি। তবু ইসলামাবাদ ট্রাম্পের দাবিকেই সমর্থন করে তাঁকে আবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্যও প্রস্তাব দেয়। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক তখন বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক অশান্তির মধ্যে ট্রাম্প অসাধারণ কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করেছেন। দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি ঠেকিয়েছেন তিনি, যার ফলে বিপুল প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সম্প্রতি ট্রাম্পের সঙ্গে ওয়াশিংটনে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরও। হোয়াইট হাউসে তাঁদের একান্ত আলোচনার পরে ট্রাম্প প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, মুনিরের সঙ্গে দেখা করে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘‘আমি ওঁকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, কারণ উনি যুদ্ধ না চালিয়ে তা বন্ধ করেছিলেন।’’
