ওঙ্কার ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের পণ্যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে নয়াদিল্লির পণ্যে আরও ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক চাপিয়েছে ওয়াশিংটন। এই আবহে ভারতকে তেল বিক্রিতে দামে আরও ছাড় দিচ্ছে মস্কো। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মস্কোর এই সিদ্ধান্তে ভারত ও রাশিয়ার সম্পর্ক আরও মসৃণ হতে চলেছে। আর এর ফলে চাপ বাড়তে চলেছে ওয়াশিংটনের উপর।
২০ আগস্ট ভারতের সঙ্গে খনিজ তেলের বাণিজ্য নিয়ে বড় ঘোষ্ণা করেন ভারতে নিযুক্ত রুশ উপ-বাণিজ্য প্রতিনিধি এভজেনি গ্রিভা। বুধবার নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছ থেকে খনিজ তেল কেনার ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে পাঁচ শতাংশ অতিরিক্ত ছাড় পাবে ভারত।’ তবে দুই দেশই বাণিজ্যিক গোপনীয়তা বজায় রাখছ এ বিষয়ে। গ্রিভা আরও বলেন, ‘ভূরাজনৈতিক জটিলতা সত্ত্বেও ভারত আমাদের কাছ থেকে আগের মতো খনিজ তেল আমদানি করবে। তাই অতিরিক্ত পাঁচ শতাংশ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’
রুশ ডেপুটি চিফ অফ মিশন রোমান বাবুশকিন নয়াদিল্লি-মস্কোর বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপরে রাশিয়ার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। বাইরের চাপ সত্ত্বেও ভারত সরকার মস্কোর কাছ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ বজায় রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস।’ উল্লেখ্য, ভারতের পণ্যে শুল্ক বাড়ানোর পিছনে কারণ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, নয়াদিল্লি যেহেতু রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনছে তাই মস্কোর অর্থনীতি চাঙ্গা থাকছে। আর এর জেরে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারছে মস্কো। কিন্তু ট্রাম্পের সেই লালচক্ষুতে ভয় না পেয়ে ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখায় চাপে পড়বে ট্রাম্প প্রশাসন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
