ওঙ্কার ডেস্ক: গত শনিবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেছেন তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ধর্মস্থানের শিলান্যাসের পর বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার তরফে অনুদান আসতে থাকে। মানুষ যাতে আর্থিক সাহায্য করেন সে জন্য শনিবার কর্মসূচি স্থলে ১১টি দানবাক্স বসানো হয়েছিল। সেই দানবাক্স খুলে টাকা গোনা শুরু হতে দেখা যায় অনুদানের অঙ্ক তিন কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। এখনও বাকি রয়েছে বেশ কিছু বাক্সের টাকা গোনার কাজ।
দান বাক্স খোলার পর দেখা যায়, ৫০০ থেকে ২০০ টাকার নোট থেকে শুরু করে খুচরো, সবই মিলছে। এমনকি অনেকে সোনার গয়না দান করেছেন মসজিদের জন্য। যার বাজার দর লক্ষাধিক বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার মসজিদ স্থলে ঘুরে দেখা যায় ইটের স্তূপ জমেছে। কেউ কেউ মসজিদ নির্মাণের জন্য ইটের পাশাপাশি বালি, পাথরও দান করছেন। বেলডাঙা-রেজিনগর অঞ্চলে ইটের ভাটায় ইটের জোগান কম পড়ে গিয়েছে রীতিমতো। সূত্রের খবর, দানের টাকা ও গয়না নিরাপদে রাখার জন্য একটি পৃথক ঘরের ব্যবস্থা করা হবে। যেখানে সিসিটিভির বন্দোবস্ত করা হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা করেছিলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। যে কারণে তাঁকে জোড়াফুল শিবির নেতৃত্ব তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করে। এই আবহে গত ৬ ডিসেম্বর নতুন ‘বাবরি মসজিদের’ শিলান্যাস করার পাশাপাশি আগামী ২২ ডিসেম্বর নতুন দল গড়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
