ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্যের দুই ইআরও এর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আগে। তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তা যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিতে বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, কমিশনের নির্দেশ মেনে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে রাজ্যের মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছিল কমিশন। দুই ইআরও-কে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়ে। কমিশনের সেই নির্দেশের প্রেক্ষিতে রাজ্য কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা কমিশনকে জানাতে বাধ্য রাজ্য। নবান্নের জবাবে কমিশন সন্তুষ্ট না হলে মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হবে। বুধবার ঝাড়গ্রাম থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘নির্বাচন কমিশন অমিত শাহের হাতের পুতুল। যে দিকে নাচাবেন, সে দিকেই নাচবে।’ মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি কারও কোনও শাস্তি হতে দেব না।’ তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেন, নির্বাচনের এখনও অনেক বাকি। তার পরেও কমিশন এখন থেকেই সাসপেন্ড করতে শুরু করেছে। নির্বাচন কমিশনকে ‘বিজেপির বন্ডেড লেবার’ বলেও নাম না করে আক্রমণ করেছেন তিনি।
যদিও কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ সারা বছর ধরে হতে পারে। নির্বাচনের সময় যে কেবল কাজ হবে এমনটা নয়। ভারতের সংবিধানের ৩২৪ ধারা কমিশনকে পূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছে ভোটার তালিকা তৈরি করার এবং নির্বাচন পরিচালনা করার। আর কমিশনের এই কাজে রাজ্য সরকার লোক দিতে বাধ্য। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভা কেন্দ্রের দুই ইআরও এবং দুই এআরও-কে সাসপেন্ড করার জন্য সম্প্রতি রাজ্যকে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন।
