ওঙ্কার ডেস্ক: গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় দিঙ্কয়েক আগে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল প্রভাত রায়কে। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যায় আগে থেকেই ভুগছিলেন তিনি। চলছিল ডায়ায়ালিসিসও। তার পর বাড়ি ফিরতেই শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ফের হাসপাতাসে ভর্তি করাতে হয় টলিউডের বর্ষীয়ান পরিচালককে। কন্যা একতা ভট্টাচার্য জানালেন বাবার শারীরিক অবস্থার কথা।
আগের থেকে এখন অনেকটাই স্থিতিশীল প্রভাতবাবু। রবিবার রাতে হাসপাতাল থেকে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। শারীরিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটাই স্থিতিশীল। তবে শরীর বেশ দুর্বল। বয়স বাড়ার সঙ্গে প্রভাত রায়ের বার্ধক্যজনিত সমস্যাগুলো বাড়ছে বলেই জানিয়েছেন একতা। তিনি আরও বলেন, “লড়াকু মানসকতা বাবিকে ভেঙে পড়তে দেয়নি। আর আমাকেও এই পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করার সাহস দিয়েছে।” গোটা সপ্তাহে প্রভাতবাবুর তিনটি ডায়ালিসিস হবে বলে জানা গিয়েছে।
এর আগে সংবাদমাধ্যমের কাছে একতা ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, দিন দুয়েকের জন্য তিনি হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন স্বামীর কাছে। দূরে গিয়েও ফোনে যোগাযোগ রেখেছিলেন বাবার সঙ্গে। কিন্তু রাতে ভিডিও কলে দেখে, পরিস্থিতি বেগতিক মনে হয় তাঁর। তারপরই প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন একতা এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন।
পরিচালক প্রভাত রায় বলতে ‘প্রতিদান’, ‘শ্বেত পাথরের থালা’, ‘লাঠি’, ‘পিতৃভূমি’, ‘শুভদৃষ্টি’, ‘যোদ্ধা’, ‘সেদিন চৈত্রমাস’-এর মতো সিনেমার কথা মনে পড়ে। বাংলার একাধিক তারকাকে সিনেমায় পরিচয় দিয়েছেন তিনি। পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। এখন বয়সের ভার অনেকটাই। একাধিকবার অসুস্থতায় ভুগেছেন। তবে আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। তবে এখনও বর্ষীয়ান পরিচালক চালিয়ে যাচ্ছেন ছবির বিষয় ভাবনা, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লেখার পাশাপাশি ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন।
