ওঙ্কার ডেস্ক: বড়সড় আর্থিক জালিয়াতির শিকারে এবার ফারহান আখতার। দীর্ঘদিন যাঁকে বিশ্বাস করে পরিবারের সঙ্গে ছায়াসঙ্গীর মতো ছিলেন, সেই ব্যক্তিই কিনা লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে চম্পট দিল।
সূত্রের খবর, স্বনামধন্য চিত্রনাট্যকার তথা ফারহানের মা হানি ইরানির গাড়ি চালাতেন ওই ব্যক্তি। পরিবারের বিশ্বাসযোগ্য ড্রাইভার হিসাবেই পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি হানি ইরানির ম্যানেজার হিসেব মেলাতে গিয়ে যে আর্থিক লেনদেনের হদিশ পান, তাতে চোখ ছানাবড়া হওয়ার অবস্থা গোটা আখতার পরিবারের। জানা গিয়েছে, ফারহান আখতারের নামে একটি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতেন তাঁর মা। গাড়ির তেল ভরার জন্য বিশ্বাস করে সেই ক্রেডিট কার্ডই ড্রাইভার নরেশ সিংয়ের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু একবারও টের পাননি যে এর পরিণতি কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে!
ওই গাড়িচালক ফারহানের নামের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে মোট ১২ লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন বলে অভিযোগ। আর এহেন কাণ্ডে নরেশকে সাহায্য করেছে বান্দ্রার পেট্রোল পাম্পের এক কর্মী। ইতিমধ্যেই উভয়ের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন হানি ইরানির ম্যানেজার দিয়া ভাটিয়া। সম্প্রতি দিয়াই আবিষ্কার করেন যে, হানি ইরানির গাড়ির জন্য যেখানে ৩৫ লিটার পেট্রোলের প্রয়োজন হয়, সেখানে ৬২১ লিটার পেট্রোলের ‘ভুয়ো বিল’ জমা দিয়েছেন নরেশ।
জেরার মুখে নরেশ সিং জানিয়েছেন, ২০২২ সালে পরিবারের পুরনো গাড়িচালক সন্তোষ কুমার তাঁকে ৩টি ক্রেডিট কার্ড দিয়েছিলেন। সেই তিনটিই ফারহানের নামের। যদিও তিনি একটিমাত্র কার্ড ব্যবহার করে টাকা তোলার কথা জানিয়েছেন, তবে হানি ইরানির ক্ষুরধার ম্যানেজার ধরে ফেলেন যে, তিনটি ভিন্ন কার্ডের মাধ্যমে অতিরিক্ত জ্বালানি কিনেছেন তিনি। অভিযুক্ত এও স্বীকার করে যে, বছর তিনেক ধরে এইভাবেই টাকা তুলছেন তিনি। যাতে ধরা না পড়েন তাই অরুণ সিং নামে ওই পেট্রোল পাম্পের কর্মীকেও টাকা দিতেন বলে জানিয়েছেন। এরপরই পুলিশ দুই অভিযুক্তকে আটক করেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।
