ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই ইম্পার অশান্তি অব্যাহত। গত শুক্রবারও ইম্পার মিটিংয়ে তীব্র বাদানুবাদ তৈরি হয় সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে। বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবিতে অনড় বিক্ষুব্ধ সদস্যরা। সপ্তাহ ঘুরলেও সমস্যার সমাধান এখনও পর্যন্ত অধরা। ২২ মে শুক্রবারের বৈঠকে পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবি নিয়ে ফের হুলুস্থুল কাণ্ড ইম্পার অফিসে।
২২ মে, শুক্রবার ইম্পার অফিসে ফের বৈঠক ডাকা হয়, সংশ্লিষ্ট মিটিংয়ে যে সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তসহ সকলেই উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু এদিন ইম্পার অফিসে একেবারেই অন্য এক দৃশ্য ধরা পড়ল। মিটিং ছেড়ে মাঝপথেই ফাইল হাতে বেরিয়ে আসেন পিয়া সেনগুপ্ত। তিনি অভিযোগ জানান, মিটিংয়ের ভিতরে পিআরের লোক, বাইরের লোক ঢুকিয়েছে। পুলিশের সামনে তেড়ে আসার অভিযোগও জানান তিনি! পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, বৈঠক থেকে ফাইল নিয়ে থানায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন পিয়া। বর্তমান সভাপতির অভিযোগ, এদিনের বৈঠকে এমন অনেকে রয়েছেন, যাঁরা নাকি ইম্পার সদস্যই নন।
তবে পুলিশের উপস্থিতিতে ফের মিটিং শুরু করা হয়। যেখানে ধ্বনিভোটে অস্থায়ী সভাপতি পদে রতন সাহার নাম উঠে আসে। কিন্তু তা মানতে অস্বীকার করেন বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত। তাঁর দাবি, “গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমি নির্বাচিত হয়েছি, সেভাবেই আমাকে সরানো হোক। নিজেরাই কমিটি গঠন করে নিচ্ছে। আমরা আইনের পথে হাঁটব। আইনের পথেই লড়াই হবে, তারপর ওরা যা পারে করুক।”
এদিন বেশ কজন ইম্পার সদস্য গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটের দাবি তোলেন। অন্যদিকে বিক্ষুব্ধ সদস্যদের আগের দাবিতেই অনড় রয়েছেন। এদিন তাঁরা গণভোটের মাধম্যে নতুন সভাপতিও নির্বাচন করেন, তবে মাঝপথেই সেই মিটিং নিয়ে হুলুস্থুলু কাণ্ড বাঁধে। এর আগে বিক্ষুব্ধ সদস্যরা জানিয়েছিলেন, তাঁদের কাছে ওঁর দুর্নীতির সব প্রমাণ আছে। আমরা সব প্রমাণ পেশ করব। এই কমিটিকে আমরা মানি না। বর্তমানে এই ঘটনা কোনদিকে মোড় নেবে সেদিকেই নজর সকলের।