ওঙ্কার ডেস্ক: এসআইআর পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ঢেলে ভোট দিয়েছেন মানুষ। দু দফায় প্রায় ৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। বর্তমানে বাক্সবন্দি অবস্থায় স্ট্রংরুমে পড়ে রয়েছে জনতার রায়। আগামী ৪ মে রাজ্যের ২৯৪ বিধানসভা কেন্দ্রে হবে ভোট গণনা। ইতিমধ্যে কমিশন চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছে। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে স্ট্রংরুমের বাইরেও। বিশ্লেষকদের মতে আগামী সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ ভোট গণনার প্রাথমিক প্রবণতা জানা যাবে। কারা বাংলার ক্ষমতা হাতে পেতে চলেছে তা চূড়ান্ত ভাবে জানা না গেলেও কারা বসতে চলেছে তার আভাস একটা পাওয়া যায়।
কী ভাবে গণনা করা হয় ইভিএম-এর ভোট? প্রথমে স্ট্রংরুম থেকে ইভিএমগুলি গণনাকেন্দ্রে আনা হয়। তার পরে প্রার্থী বা তাঁর এজেন্টদের সামনে সিল এবং ট্যাগ ঠিক আছে কিনা, তা যাচাই করে খোলা হয়। একটি গণনাকেন্দ্রে ১৪টি টেবিলের বন্দোবস্ত থাকে। ১৪টি টেবিলে একবার গণনা সম্পন্ন হলে এক রাউন্ড বলে ধরা হয়। ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিটে একটি সুনির্দিষ্ট বোতাম থাকে। সেটি চাপলেই মোট কতগুলি ভোট কোন প্রার্থী পেয়েছেন, তা জানা যায়। এরপর নির্দিষ্ট ফর্মে সেগুলি লিখে রাখা হয়। পাশাপাশি ইভিএম গণনার শেষে ভিভিপ্যাট স্লিপ গোনা হয়। কন্ট্রোল ইউনিটের সঙ্গে সেগুলি মিলিয়ে দেখা হয়।
ভোটের গণনার হিসাব রাখার ফর্ম ১৭সি এবং ফর্ম ২০ ব্যবহার করা হয়। ভোটগ্রহণের দিন ফর্ম ১৭সি-র প্রথম অংশে প্রিসাইডিং অফিসার লিখে রাখেন মোট কত ভোটার ভোট দিয়েছেন, ইভিএমে কত ভোট পড়েছে। গণনার সময় এটি মিলিয়ে দেখা হয়। ওই ১৭সি ফর্মের দ্বিতীয় অংশ পূরণ করেন গণনা পর্যবেক্ষক। এই অংশে প্রতিটি প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন তা নথিভুক্ত করতে হয়। প্রতিটি গণনা টেবিল থেকে ফর্ম ১৭সি-র দ্বিতীয় অংশে লিপিবদ্ধ তথ্য যোগ করা হয় তৈরি করা হয় ফর্ম ২০। এটিই ভোট গণনার চূড়ান্ত ফলাফলের নথি।