ওয়েব ডেস্কঃ মার্কিন শুল্ক চাপ সত্বেও বেড়েছে ভারতের রফতানির পরিমাণ। সুত্র বলছে, বিগত তিন বছরের মধ্যে সর্বাধিক রফতানি হয়েছে। গত মাসে অর্থাৎ নভেম্বরে এই রফতানির হার দ্রুত গতিতে বেড়েছে। ১৯.৪ শতাংশ বেড়ে ৩৮.১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। মূলত আমেরিকা ও চিনের কাছে পণ্য রফতানির জেরেই এই লক্ষ্মীলাভ বলে মনে করা হচ্ছে। একই সময়ে আমদানি ২ শতাংশ কমে ৬২.৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ফলে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে।
আমেরিকায় ভারতের রফতানি ২২.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চিনে রফতানি এক ধাক্কায় ৯০ শতাংশ বেড়ে ২.২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল জানিয়েছেন, ‘মার্কিন শুল্ক সত্ত্বেও রফতানি ধরে রাখতে পেরেছি। পাশাপাশি ভারতের আমদানিও বেড়েছে, যা ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যের জন্য ভালো’।
সুত্রের খবর, আমেরিকার শুল্ক বৃদ্ধির কারণে অক্টোবর মাসে ভারতের রফতানির পরিমাণ ১২% কমেছিল। নভেম্বর মাসে তা আবার বেড়েছে। সে কারণেই ভারসাম্য বজায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় শিল্পমন্ত্রী পীয়ূষ গোয়েল জানিয়েছেন, “নভেম্বরের রফতানি অক্টোবরের ক্ষতি পূরণ করেছে।”
নভেম্বর মাসে বিভিন্ন খাতে রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, ইলেকট্রনিক্স, ওষুধ, রসায়ন, তেলজাত পণ্য এবং টেক্সটাইলের ক্ষেত্রে রফতানি বেড়েছে। তবে কার্পেটের রফতানি কিছুটা কমেছে।
বিশ্ব বাজারের গতি প্রকৃতি দেখে FIEO-এর প্রধান জানিয়েছেন, বাজারের বৈচিত্র্য, প্রধান খাতের স্থিতিশীলতা রফতানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ভারতের রফতানি আগামী মাসেও ধারাবাহিকভাবে বাড়বে।
