ওঙ্কার ডেস্ক: আড়াই বছরের এক শিশুর চোখের পাশে ক্ষত তৈরি হয়েছিল। সে কারণে অভিভাবকরা নিয়ে গিয়েছিলেন তাকে হাসপাতালে। কিন্তু অভিযোগ, সেলাই না করে ক্ষত সারাতে ডাক্তার ব্যবহার করেন ফেভিকুইক! ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মীরাটে। বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের এই কাণ্ডে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বেসরকারি হাসপাতালের ওই চিকিৎসক আড়াই বছরের শিশুর চোখের পাশে ক্ষত সেলাই না করে ‘ফেভিকুইক’ লাগিয়ে দেওয়ার পর শিশুটি যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে। অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় শেষপর্যন্ত তাকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের তিন ঘণ্টার চেষ্টায় ক্ষতস্থান থেকে আঠা সরানো সম্ভব হয়। পরে ডাক্তার ক্ষত সেলাই করে দেন। শিশুটির পরিবারের বক্তব্য, দু’দিন আগে খেলার সময় দুর্ঘটনাবশত মানরাজ সিং নামের শিশুটির মাথা ঠুকে যায় টেবিলে। এর ফলে চোখের পাশে গভীর ক্ষত তৈরি হয়। পরিবার তাকে দ্রুত ভাগ্যশ্রী হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু অভিযোগ, সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুর বাবাকে ফেভিকুইক আনতে বলেন। ক্ষতস্থান পরিস্কার না করেই সেখানে ওই আঠা লাগিয়ে দেন তিনি। পরিবার এতে আপত্তি জানালেও তাতে কর্ণপাত করেননি অভিযুক্ত ডাক্তার।
ইতিমধ্যে গোটা বিষয়টি নিয়ে মিরাটের স্বাস্থ্য আধিকারিক অশোক কাটারিয়ার কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। অভিযোগ পাওয়ার পর কাটারিয়া জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত করা হবে। সে কারণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের পর উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।