ওঙ্কার ডেস্কঃ পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুজিত বসু। তবে আপাতত স্বস্তি মিলল না। শুক্রবার বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এখনই কোনও অন্তর্বর্তী রেহাই দেওয়া হচ্ছে না। আদালতের নির্দেশ, এই মামলার শুনানি হবে নিয়মিত বেঞ্চে এবং গ্রেফতারি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জমা দিতে হবে ইডিকে। সুজিত বসুকেও হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সুজিত বসু বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন। গ্রেফতারি থেকে শুরু করে তলবের পুরো প্রক্রিয়াকেই বেআইনি বলে দাবি করেছেন সুজিত। সেখান থেকেই ইডির পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি। শুক্রবার শুনানিতে সুজিতের হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা। আদালতে তিনি দাবি করেন, “আমার মক্কেল গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করছেন। তিনি অভিযুক্ত নন।” যদিও আদালত এই মুহূর্তে কোনও রকম রিলিফ দিতে রাজি হয়নি।
গত ১১ মে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৯ (১) ধারায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিশেষ আদালতে পেশ করা হলে তাঁকে ইডি হেফাজতে পাঠানো হয়। পরে তিনি জেল হেফাজতে যান।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই মামলার পরবর্তী শুনানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শুরু থেকেই এই তদন্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চলা দুর্নীতির শিকড় এখন একে একে সামনে আসছে।