ওঙ্কার ডেস্ক: আনন্দের মুহূর্ত বদলে গেলে ভয়াবহ ঘটনায়। কালিম্পং জেলার সিতং-এ হানিমুনে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি নববধূ। ওই দম্পতি একটি রিসোর্টে থাকছিলেন। সেখানে বারবিকিউ করার সময় হঠাৎ আগুনের শিখা বেড়ে যাওয়ায় তাতে দগ্ধ হয়ে গুরুতর জখম হন তরুণী।
রিপোর্ট অনুসারে, ওই বধূর নাম নিকিতা দাস। গোটা ঘটনা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে, যেখানে দেখা গিয়েছে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। নিকিতা তার স্বামী সমীর দাস বারবিকিউ যেখানে করা হচ্ছিল তার কাছে বসেছিলেন। এমন সময় আগুনের উপর এক ধরনের তরল পদার্থ ঢেলে দেন এক ব্যক্তি। এর পর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আগুন হঠাৎ তীব্র হয়ে ওঠে। আগুনের শিখা নিকিতার দিকে ধেয়ে যায়।ফুটেজে দেখা যায়, মাটিতে পড়ে যাওয়ার আগেই নিকিতার শরীরে আগুন ধরে যায়। সমীর সঙ্গে সঙ্গে তার স্ত্রীর দিকে এগিয়ে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
যে ব্যক্তি তরলটি ঢেলেছিলেন, তিনিও তড়িঘড়ি ছমছুটে যান। নিজের টি-শার্টটি খুলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। আচমকা এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিসোর্টে আতঙ্ক তৈরি করে। অন্যান্য কর্মী ও স্থানীয়রা ছুটে যান।পরবর্তীতে নিকিতাকে চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার দেহের কত অংশ দগ্ধ হয়েছে, সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। জানা গিয়েছে, চোপড়ার বাসিন্দা সমীর ছুটি কাটাতে নিকিতার সঙ্গে সিতং গিয়েছিলেন। ওই দম্পতি প্রায় দুই মাস আগে বিয়ে করেন। পাহাড়ে গিয়ে একটি ব্যক্তিগত রিসোর্টে থাকছিলেন তাঁরা। এই ঘটনার পর পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।