ওঙ্কার ডেস্ক: আগেই ক্কারী নিয়ে কেলেঙ্কারি হয়েছে! বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের সময় সৌদি আরব থেকে দুজন ক্কারী এসেছিলেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু পরে জানা যায় সেই দুই ইসলামী ধর্মীয় নেতা আদতে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা! যে ঘটনার পর ভরতপুরের বিধায়ক দাবি করেছিলেন তাঁকে ঠকানো হয়েছে। ক্কারী নিয়ে সেই বিড়ম্বনার পর এবার জানা গেল হুমায়ুনের নিরাপত্তার জন্য হায়দরাবাদ থেকে যে বাউন্সার আনা হয়েছে, তা আসলে সঠিক নয়! সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়কের আট বাউন্সারই নাকি কলকাতার!
হায়দরাবাদি বাউন্সারের বদলে কলকাতার বাউন্সার দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, হায়দরাবাদের সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি। তাঁদের তরফে জানানো হয়, বাউন্সাররা নথি সংক্রান্ত সমস্যার কারণে বিমানবন্দরে আটকে পড়েছেন। পরে বিধায়ক জানতে পারেন তাঁর সঙ্গে যে বাউন্সাররা রয়েছেন তাঁরা প্রত্যেকে কলকাতার! এই গোটা বিষয়ের পিছনে চক্রান্ত রয়েছে বলে দাবি তাঁর। হুমায়ুন বলেন, ‘এত বড় ধরণের চক্রান্ত চলছে, আমি খেই হারিয়ে ফেলছি। যাঁদেরকে হায়দরাবাদি বলে জানতাম, পরে জানলাম তাঁরা কলকাতার।’ বিষয়টি জানার পরে বাউন্সারদেরকে কাজ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক।
গত ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেন হুমায়ুন কবীর। যে ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। এই মসজিদ নির্মাণের জন্য বহু মানুষ নির্মাণ সামগ্রী এবং অর্থ দিয়ে সাহায্য করেছেন। সেই আবহে প্রাণনাশের আশঙ্কা করেছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। যে কারণে বাউন্সারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এদিকে, যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া করেছেন সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা। আগামী তিন মাস হেলিকপ্টারে চেপে ঘুরে বেড়াবেন তিনি।
