ওঙ্কার ডেস্ক: মন্দিরে ভাঙচুর ঘিরে উত্তেজনা হায়দরাবাদের পুরানাপুল দরওয়াজা এলাকায়। বুধবার অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা ধর্মস্থানে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ভাঙচুরের খবর পেয়ে মন্দিরের কাছে ভিড় জমান স্থানীয়রা। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যার পর মন্দিরে ভাঙচুরের বিষয়টি নজরে আসে। শীঘ্রই স্থানীয়রা জড়ো হয়ে প্রতিবাদে সরব হন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। স্থানীয়রা ক্ষোভে ফেটে পড়লেও পুলিশের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার। এক
ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তা স্থানীয়দের আশ্বস্ত করেছেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মূর্তিটি মেরামতের তদারকি করেন তিনি। যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুরানাপুল এবং সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্য দিকে বৃহস্পতিবার সকালে মিম প্রধান তথা হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। গোটা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা বলেন সাংসদ। মানুষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, ভাঙচুরের পেছনে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় শান্তি নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। গুজব ছড়াতে মানুষকে নিষেধ করা হয়েছে।
মন্দির ভাঙচুরের বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। কংগ্রেস সরকারকে নিশানা করেছে বিজেপি। তেলেঙ্গানা বিজেপির এক্স হ্যান্ডেলের একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘হায়দরাবাদের পুরানাপুলে দেবী মূর্তি এবং শিবাজি ধ্বজ অপবিত্র করা হয়েছে। সংগঠিত ও পরিকল্পিত ভাবে তেলেঙ্গানায় হিন্দু মন্দিরগুলোকে অপবিত্র করা হচ্ছে। কংগ্রেস সরকার তাদের ভোটব্যাঙ্ক রক্ষার জন্য এই উগ্রপন্থী শক্তিগুলোকে রাজ্য দখল করার সুযোগ দিয়েছে।’
