ওঙ্কার ডেস্ক: স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে। হত্যার পর শাশুড়িকে ফোন করে নিজের অপরাধের কথা জানায় অভিযুক্ত। এরপর সরাসরি থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে সে। ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের চিক্কাবল্লাপুর জেলার তাতাহল্লি গ্রামে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম পদ্মা (৩০)। তিনি গৌরীবিদানুর শহরের বাসিন্দা। অভিযুক্ত স্বামীর নাম চন্দ্র (৩৪)। পদ্মা সম্প্রতি তাতাহল্লি গ্রামে বাপের বাড়িতে এসেছিলেন। অভিযোগ, কথা বলার অজুহাতে স্বামী তাঁকে বাড়ি থেকে বাইরে নিয়ে যায়। এরপর গ্রামের প্রান্তে একটি বাগানের মধ্যে তাঁকে খুন করে। পুলিশের দাবি, হত্যার পর অভিযুক্ত শাশুড়ি নরসম্মাকে ফোন করে। ফোনে সে বলে, “আমি আপনার মেয়ে পদ্মাকে খুন করেছি।” এরপর গৌরীবিদানুর গ্রামীণ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে চন্দ্র। সেখানে পুলিশের কাছে অপরাধের কথা স্বীকার করে।
এই ঘটনায় অভিযুক্তের শাশুড়ি নরসম্মা সিদলাঘাট্টা গ্রামীণ থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাস্থল প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে পুলিশের নজরে এসেছে, পদ্মার গলায় ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত রয়েছে। শরীরের অন্য অংশেও একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন মিলেছে। মৃতার মায়ের দাবি, গত প্রায় দু’বছর ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। তবে ঠিক কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।