ওঙ্কার ডেস্ক : পুজোর আগে সকলের অপেক্ষা সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বরের দিকে। এদিন থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন জিএসটি। ফলে সবার নজর থাকবে পণ্যের প্যাকেটে লেখা এম আর পি-র দিকে। তাই এবার পুজোয় উপভোক্তাদের হাসি চওড়া হতে চলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় বহু জিনিসের দাম কমছে। ইতিমধ্যেই মারুতি ও মাদার ডেয়ারি জানিয়ে দিয়েছে দাম কমার কথা। তাই ২২ তারিখ থকে জিনিসপত্র কেনার সময় এটা মাথায় রাখতে হবে। উপভোক্তা বিষয়ক দফতর ইতিমধ্যেই কোম্পানিগুলিকে সংশোধিত নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিয়েছে। তবে স্থানীয় দোকান ও মলগুলির সিস্টেমে এই সময়ের মধ্যে নয়া মূল্য নথিভুক্ত হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তাই বাড়তি সজাগ থাকতে হচ্ছে। পণ্যগুলির দাম ঠিকঠাক নেওয়া হচ্ছে কিনা প্রথম প্রথম সেদিকে নজর রাখা জরুরি।
২২ সেপ্টেম্বর থেকে জিএসটির স্তর কেমন হবে
দুটি স্তরে জিএসটি কার্যকর হবে। বেশিরভাগ সামগ্রী থাকছে ৫ এবং ১৮ শতাংশের স্তরে। অতিরিক্ত বিলাস সামগ্রী থাকছে জিএসটি-র ৪০ শতাংশ স্তরে। ২৮ শতাংশের সঙ্গে সেস জোড়া থাকবে তামাক ও তামাকজাতীয় পণ্যে। চলতি ৫, ১২, ১৮, ২৮ শতাংশের স্তর অবলুপ্ত করা হয়েছে।

কী কী জিনিসের দাম কত কমবে
• বলপয়েন্ট পেন, ফাউন্টেন পেন, মার্কার ও অন্যান্য লেখার সামগ্রী এখন থেকে ১৮ শতাংশ জিএসটির স্তরে থাকছে। স্কুল ব্যাগ, স্কুলে বহনের ছোট থলি, সুটকেস, ভ্যানিটি কেস, বাজনার সামগ্রী, ঘুরতে যাওয়ার ব্যাগ সবই এই ক্যাটেগরিতে পড়বে। স্কুলে লেখার চক, টেলরের চকে কোনও জিএসটি নেই, আগে যা ছিল ১২ শতাংশের অন্তর্গত। তবে বই ও বই ছাপার কাগজে জিএসটি থাকায় বইয়ের দাম বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
• ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও জীবনবিমাকে পুরো ছাড় দেওয়া হয়েছে।
• দুগ্ধজাত পণ্য মাখন, ঘি, চিজ ও ডেয়ারি স্প্রেড ৫ শতাংশ, ৩৩টি জীবনদায়ী ওষুধে কোনও কর লাগবে না।
• নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী অর্থাৎ গেরস্থালির জিনিসপত্র যেমন বাসনপত্র, চুলের তেল, শ্যাম্পু, পেস্ট, সাবান, টুথ ব্রাশ, দাড়ি কামানোর ক্রিম, কৃষিপণ্য যেমন, ট্রাক্টরের টায়ার ও যন্ত্রাংশ, ট্রাক্টর, নির্দিষ্ট ১২টি জৈব কীটনাশক ও সার, ড্রিপ সেচ ও জল ছেটানোর যন্ত্র, কৃষি-উদ্যানপালন ও বনাঞ্চল তৈরির যন্ত্র ১২ থেকে ৫ শতাংশ। স্বাস্থ্য পরিষেবায় ব্যবহৃত সামগ্রী যেমন থার্মোমিটার, মেডিক্যাল গ্রেড অক্সিজেন, রোগপরীক্ষার কিটস ও রিএজেন্ট, গ্লুকোমিটার ও সুপার পরীক্ষার স্ট্রিপ, চশমাকে ৫ শতাংশের আওতায় আনা হয়েছে।
• বৈদ্যুতিন সামগ্রী যেমন এসি, মনিটর ও প্রজেক্টর্স, ছোট গাড়ি ও মোটর সাইকেলকে ১৮ শতাংশের বন্ধনীর মধ্যে রাখা হয়েছে।
• পান মশলা, নরম পানীয়, প্যাকেট করা ফলের রসে ৪০ শতাংশ জিএসটি।
• প্যাকট করা নোনতা খাবার, ভুজিয়া ও চানাচুর ৫ শতাংশ।
• ফিডিং বটল, বেবি ন্যাপকিন ও ক্লিনিক্যাল ডায়াপার ১২ থেকে ৫ শতাংশ হচ্ছে।
• সেলাই মেশিন ও তার যন্ত্রাংশ ৫ শতাংশ।
• শিক্ষা সামগ্রীর মধ্যে মানচিত্র, চার্টস ও গ্লোবস আগে ছিল ১২ শতাংশ, এখন কোনও জিএসটি লাগবে না।
• ডিশ ওয়াশিং মেশিন আগে ছিল ২৮ শতাংশ, এখন হচ্ছে ১৮ শতাংশ।
