ওঙ্কার ডেস্ক: পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশের গদর সমুদ্র বন্দরে ক্রমশ আধিপত্য বাড়াচ্ছে চিন। যা নয়াদিল্লির কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই অঞ্চলে বেজিঙের রণতরী ও ডুবোজাহাজের উপস্থিতি বাড়বে ক্রমশ।
কেন গুরুত্বপূর্ণ বালোচিস্তানের এই গদর বন্দর? এমনিতেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক নেই ভারতের। তার উপর চিনের সঙ্গেও মাঝে মাঝে সংঘাত তৈরি হয় সীমান্তে। এই পরিস্থিতিতে চিনের সঙ্গে যদি কোনও দিন যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে এই বন্দর থেকে গুজরাট এবং মহারাষ্ট্রের উপকূলবর্তী সেনাছাউনি এবং শহরগুলিতে সহজেই আঘাত হানতে পারবে বেজিং। মূলত পশ্চিম ভারতের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে এই অঞ্চল থেকে নজরদারি চালাতে পারবে চিন। শুধু তাই নয়, আরব সাগরে ভারতীয় রণতরী এবং ডুবোজাহাজ লক্ষ্য করেও আঘাত হানতে পারবে চিনা সেনাবাহিনী।
গদর বন্দরে চিনের প্রভাব যেমন বাড়ছে তেমনই পাল্টা কৌশল হিসেবে ইরানের চাবাহার বন্দর তৈরি করেছে ভারত। গদর বন্দর থেকে এই সমুদ্র বন্দরের দূরত্ব খুব বেশি হলে ১৭০ কিলোমিটার। এই সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে এশিয়ার বহু দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখার সুযোগের পাশাপাশি গদরে চিনের গতিবিধির উপর নজর রাখার সুযোগ পাচ্ছে ভাররের নৌবাহিনী। শুধু চাবাহার নয়। মরিশাস, ওমান, ইন্দোনেশিয়া, সেসেলস এবং ভিয়েতনামেও নৌঘাঁটি তৈরি করছে নয়াদিল্লি।
