ওঙ্কার ডেস্ক: দুমাসের ব্যবধানে ফের বাংলার মাটিতে পা রাখতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২৯ মে-র আবার ১৮ জুলাই বাংলার মাটিতে পা রাখতে চলেছেন তিনি। গন্তব্য দুর্গাপুরের নেহরু স্টেডিয়াম, যেখানে রয়েছে তাঁর জোড়া কর্মসূচি। প্রথমে সরকারি, পরে রাজনৈতিক। সূত্রে জানা গিয়েছে দুপুর ২টো ৩৫ নাগাদ অন্ডাল বিমানবন্দরে নামবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছবেন নেহরু স্টেডিয়ামে। প্রশাসনিক সভা থেকে আজই পশ্চিমবঙ্গের জন্য ঘোষণা করবেন প্রায় ৫৪০০ কোটি টাকার একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্প।
মূল প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার জন্য ‘নগর গ্যাস সরবরাহ প্রকল্প’-এর শিলান্যাস, দুর্গাপুর-হলদিয়া গ্যাস পাইপলাইনের দুর্গাপুর থেকে কলকাতা পর্যন্ত ১৩২ কিলোমিটার অংশের উদ্বোধন, পুরুলিয়া-কোটশিলা ৩৬ কিলোমিটার রেলপথে ডাবল লাইনের সূচনা এবং ‘সেতু ভারতম’ প্রকল্পে পাণ্ডবেশ্বর ও তোপসির রোড ওভার ব্রিজের উদ্বোধন। এবং পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যেও থাকছে ঘোষণা দুর্গাপুর ইস্পাত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ‘ফ্লু গ্যাস ডিসালফারাইজ়েশন’ ব্যবস্থা চালু হবে বলে জানাবেন মোদী। কেন্দ্রীয় সরকারের মতে, এই সমস্ত প্রকল্প রাজ্যের গ্যাস সংযোগ, রেল, সড়ক এবং সবুজ শক্তির পরিকাঠামোয় বড়সড় অগ্রগতি ঘটাবে।
প্রশাসনিক সভা শেষ হতেই শুরু হবে রাজনৈতিক মঞ্চ। দুপুর পৌনে ৪টে থেকে বিজেপির জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রায় ৪৫ মিনিটের ভাষণ ঘিরে দলের অন্দরেই তুঙ্গে উন্মাদনা। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বার্তা মেনেই রাজ্য বিজেপি নেতারা প্রস্তুতি নিয়েছেন বিপুল জনসমাগমের জন্য। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাতেই পোস্ট করেছেন মোদী। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে শাসক দলের দিকে সাফ বার্তা ছুঁড়ে দেবেন তিনি এমনটাই আশা করছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
প্রসঙ্গত, ২৯ মে আলিপুরদুয়ারে মোদীর সভা হয়েছিল, যা বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবেই পরিচিত। এবার দুর্গাপুর যেখানে এক সময় লোকসভা ছিল বিজেপির দখলে। শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম এত বড় সভা ফলে তাঁর ভূমিকা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে। প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সকলেই নজর রাখছেন প্রস্তুতিতে।
