Skip to content
জুলাই 6, 2026
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play

Onkar Bangla

Primary Menu
  • কলকাতা
  • পশ্চিমবঙ্গ
    • উত্তরবঙ্গ
    • বর্ধমান
    • পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
    • হাওড়া ও হুগলি
    • পুরুলিয়া বীরভূম বাঁকুড়া
    • উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    • নদিয়া মুর্শিদাবাদ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • সম্পাদকের পাতা
    • এডিট
    • পোস্ট এডিট
    • বইপত্র
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফ স্টাইল
  • ভ্রমন
  • পাঁচফোড়ন
  • লাইভ
  • ভিডিও
  • যোগাযোগ করুন
  • Home
  • বাংলাদেশ
  • শিখা অনির্বাণে স্বাধীনতা বিরোধীদের ছোবল

শিখা অনির্বাণে স্বাধীনতা বিরোধীদের ছোবল

Online Desk জুলাই 6, 2026
Sikha.jpg

নয়ন বিশ্বাস রকি

শিখা অনির্বাণ মূলত একটি চিরজাগ্রত শিখার প্রতীক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতীয় বীর ও শহীদদের স্মরণে অনির্বাণ শিখা প্রজ্বলিত রাখা হয়। এর অর্থ হলো- যাদের আত্মত্যাগে একটি জাতি স্বাধীনতা বা মর্যাদা অর্জন করেছে, তাদের স্মৃতি কখনো নিভে যাবে না। বাংলাদেশেও সেই ভাবনা থেকেই এই স্মারক নির্মিত হয়। স্বাধীনতার পর মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং সকল শহীদের স্মরণে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান, বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান, কূটনীতিক এবং সাধারণ মানুষ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে এখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছেন। বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস কিংবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে এই স্মৃতিস্তম্ভের সামনে শ্রদ্ধা নিবেদন একটি মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুশীলনে পরিণত হয়েছে।

শিখা অনির্বাণের সবচেয়ে বড় শক্তি এর প্রতীকী অর্থে। একটি জ্বলন্ত শিখা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্বাধীনতা কখনো বিনা মূল্যে অর্জিত হয় না। এটি নতুন প্রজন্মকে শেখায় যে স্বাধীনতার পেছনে রয়েছে অসংখ্য ত্যাগের ইতিহাস। তাই এই স্মারক কেবল অতীতের স্মৃতি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি শিক্ষা।

এ কথা সত্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশ হাঁটছে উল্টোপথে। হাঁটছে মেটিকুলাস ডিজাইনের ছকে। বাংলাদেশ চলছে ৭১-এর পরাজিত শক্তি ও জঙ্গিদের ছত্রছায়ায়। সরকার পরিবর্তনের পর একটি উদ্বেগের বিষয় সামনে এসেছে- মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭১ সালের ইতিহাস এবং এর চেতনা নিয়ে নানা বিতর্ক, অবমূল্যায়ন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিস্তার। এই জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের হাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি ভাস্কর্য, মূরাল এবং বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসে অনন্য অধ্যায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর। তারপর সাত বীরশ্রেষ্ঠের ভাস্কর্য, মুজিব নগর স্মৃতিস্তম্ভসহ সারা দেশে বহু মুক্তিযুদ্ধ ও প্রগতিশীল চেতনার স্থাপনা।

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, আত্মত্যাগ ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি। লাখো শহীদের রক্ত, অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধার ত্যাগ এবং নির্যাতিত মানুষের আত্মবলিদানের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতার ইতিহাস কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে পরিবর্তিত হওয়ার বিষয় নয়। ইতিহাসকে বিকৃত করা, মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব খাটো করা কিংবা স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি বা মতাদর্শকে মহিমান্বিত করার চেষ্টা জাতীয় ঐক্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

আমার দৃষ্টিতে, একটি জাতির ইতিহাসকে সম্মান করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তার প্রতীকগুলোর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা। প্রতীক পরিবর্তন করা যেতে পারে, সংস্কার করা যেতে পারে, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন আনা যেতে পারে- কিন্তু সেই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা জনগণের কাছে পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা জরুরি। অন্যথায় বিভ্রান্তি, সন্দেহ এবং অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ইতিহাসের প্রশ্নে অস্পষ্টতা কখনোই জাতীয় ঐক্যের জন্য সহায়ক নয়।

আজকের তরুণ প্রজন্মের অনেকেই ১৯৭১-এর বিভীষিকা নিজের চোখে দেখেনি। তারা ইতিহাস জানে বই, চলচ্চিত্র, পরিবার ও স্মৃতিস্তম্ভের মাধ্যমে। তাই শিখা অনির্বাণের মতো প্রতীকগুলো তাদের কাছে জীবন্ত ইতিহাসের পাঠশালা। যদি এসব প্রতীক তাদের আগের রূপে আর না থাকে, তবে তার বিকল্প কী হবে- সেই প্রশ্নেরও উত্তর থাকা দরকার। ইতিহাস সংরক্ষণ মানে শুধু স্থাপনা রক্ষা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে স্মৃতি, মূল্যবোধ ও জাতীয় পরিচয়।
একটি বিষয়ও মনে রাখা জরুরি- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কেবল একটি শিখা, একটি স্তম্ভ বা একটি স্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা নিহিত আছে গণতন্ত্র, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার, সাম্য এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার মধ্যে। তাই কোনো প্রতীক নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও জাতির মূল চেতনাকে অক্ষুণ্ণ রাখাই হওয়া উচিত সবার অঙ্গীকার। একই সঙ্গে, যেসব স্মৃতিচিহ্ন জাতীয় ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে, সেগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় ইতিহাসবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, গবেষক এবং সাধারণ মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

শিখা অনির্বাণের আলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্বাধীনতার ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না। একটি শিখা নিভে যেতে পারে, আবার জ্বালানোও যেতে পারে; কিন্তু জাতির স্মৃতি ও আত্মত্যাগের ইতিহাস তখনই টিকে থাকে, যখন আমরা তাকে সম্মান করি, সংরক্ষণ করি এবং নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিই। ইতিহাসকে ঘিরে যে কোনো সিদ্ধান্তে তাই সংবেদনশীলতা, স্বচ্ছতা এবং জাতীয় ঐকমত্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারে, শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা উপলব্ধি করতে পারে এবং স্বাধীনতার মূল্য বুঝতে শেখে- এই দায়িত্ব আমাদের সবার। শিখা অনির্বাণ সেই দায়িত্বেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। প্রতীকটির রূপ যাই হোক না কেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের আদর্শ যেন কখনো অনির্বাণ শিখার মতোই চিরজাগ্রত থাকে- এটাই একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার প্রত্যাশা।

লেখক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সমাজসেবক মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের কর্মী
Post Views: 28

Continue Reading

Previous: বিশ্বকাপে ছিটকে গেল ব্রাজিল ! চোখের জলে অবসর নেইমারের
Next: দিল্লিতে বিয়ের তিনমাসের মধ্যেই উদ্ধার মহিলার দেহ; পণের জন্যই খুন, দাবি পরিবারের

সম্পর্কিত গল্প

DEADBODY.png

প্রেমিকার সঙ্গে থাকতে স্ত্রীকে গুলি করে খুনের অভিযোগ, নেপাল থেকে ফিরতেই গ্রেপ্তার স্বামী-প্রেমিকা

Online Desk জুলাই 6, 2026
champat-rai.jpg

অনুদান চুরি বিতর্কের মাঝে চম্পত রাইয়ের পদত্যাগ গ্রহণ রাম মন্দির ট্রাস্টের

Online Desk জুলাই 6, 2026
huycdjkSA.png

এবার ভাঙন হুমায়ূনের দলের; জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা বিজয় শেখের

Online Desk জুলাই 6, 2026

You may have missed

DEADBODY.png

প্রেমিকার সঙ্গে থাকতে স্ত্রীকে গুলি করে খুনের অভিযোগ, নেপাল থেকে ফিরতেই গ্রেপ্তার স্বামী-প্রেমিকা

Online Desk জুলাই 6, 2026
champat-rai.jpg

অনুদান চুরি বিতর্কের মাঝে চম্পত রাইয়ের পদত্যাগ গ্রহণ রাম মন্দির ট্রাস্টের

Online Desk জুলাই 6, 2026
huycdjkSA.png

এবার ভাঙন হুমায়ূনের দলের; জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা বিজয় শেখের

Online Desk জুলাই 6, 2026
kalyan-banerjee.png

‘বিজেপির কথায় উঠছে বসছে’, দলের প্রতীকের দাবিদার ঋতব্রত-পন্থী তৃণমূলকে নিশানা কল্যানের

Online Desk জুলাই 6, 2026
  • Get in Touch
  • Privacy Policy
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play
Copyright © All rights reserved. | Designed and Maintained by UQ Labs.