ওঙ্কার ডেস্ক: গত ২২ জুন ভোরে ইরানের তিনটি পরমাণুঘাঁটিতে আঘাত হেনেছিল মার্কিন সেনাবাহিনী। গোটা অপারেশন পর্যবেক্ষণ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বসে আধিকারিকদের সঙ্গে গোটা অপারেশনে নজর রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরান ইজরায়েল সংঘাতের মাঝে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ইরানও পাল্টা জবাব দেয়। কাতারে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে তেহরান।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেছিলেন সংঘর্ষ আরও বেশ কিছু দিন চলবে। যদিও মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করেন। আর আচমকা ইরানে আঘাত হানার কয়েক ঘন্টার মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করায় ট্রাম্পের ভূমিকা আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
ট্রাম্প ইরানে আঘাত করুন চায়নি অধিকাংশ মার্কিন। এই হানার বিরোধী ছিলেন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে নিজদেশে নাগরিকদের সমালোচনার মুখে পড়ে পিছু হঠেছেন ট্রাম্প। সম্প্রতি একটি সমীক্ষা চালানো হয় মার্কিন মুলুকে। সেখানে প্রশ্ন করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ সমর্থন করেন কি না? জবাবে সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৬ শতাংশ মার্কিন বলেছেন, তাঁরা এটা সমর্থন করছেন না। তবে আঘাত হানার পক্ষে ছিলেন ৪৪ শতাংশ মার্কিন নাগরিক। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক বলেছেন, ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের ফলে বরং ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে।
