ওঙ্কার ডেস্ক: ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া। মঙ্গলবার সকালে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে এই ভূমিকম্প-র মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৬.৭। যার উৎসস্থল মাটি থেকে মাত্র ১০ মিটার গভীরে। ইন্দোনেশিয়ার জিওফিজিক্স সংস্থা বিএমকেজি সূত্রে জানা গিয়েছে, পালুর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে কম্পনের উৎসস্থল। এর ফলে ফলে কম্পনের তীব্রতাও ছিল অনেক বেশি। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও বিশাল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে আসেনি। যদিও ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ এখনও পর্যন্ত সুনামি সতর্কতা জারি করেনি। ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাসে এই ধরনের ভূমিকম্প নতুন নয়। তবে প্রথম কম্পনের মাত্রা যেহেতু অনেকটাই বেশি ছিল, ফলে একাধিক আফটার শকের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। সেদিকেও নজর রাখছে কর্তৃপক্ষ। তবে প্রথম কম্পনের মাত্রা যেহেতু অনেকটাই বেশি ছিল, ফলে একাধিক আফটার শকের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। সেদিকেও নজর রাখছে কর্তৃপক্ষ।
যদিও এর ভূমিকম্পের ঘটনা এই এই দেশে নতুন কিছু নয়। ২০২২ সালে রিখটার স্কেলে
৫.৬ মাত্রায় কেঁপে ওঠে ইন্দোনেশিয়ার সিয়ানজুর। তারপরের দিন প্রতিবেশী সলোমন
আইল্যান্ডেও কম্পন অনূভূত হয়। জোড়া ভূমিকম্পে অন্তত ২৬৮ জনের মৃত্যু হয় সেদেশে। এমনকি স্কুলের নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও অতিরিক্ত সময় নিয়ে পড়াশোনা করা খুদেদের উপর ভেঙে পড়ে আস্ত স্কুল। বহু শিশুর মৃত্যু হয় কম্পনের জেরে। গতবছরও মাত্র ২ সপ্তাহের ব্যবধানে জোরালো কম্পন অনুভূত হয় দ্বীপরাষ্ট্রের বান্দা সাগরে। আসলে ভূমিকম্পের দিক থেকে অত্যন্ত সক্রিয় প্রশান্ত মহাসাগরের “রিং অফ ফায়ার” এর পাশে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়া। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ৭.৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ও এর পর সৃষ্ট প্রায় ৩ মিটার উঁচু সুনামিতে পালু এবং আশপাশের এলাকায় ৪ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারান।এর জটিল টেকটোনিক বিন্যাসের কারণে প্রায়শই ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে এখানে। ইন্দোনেশিয়া বেশ কয়েকটি সক্রিয় ভূকম্পন চ্যুতির ওপর অবস্থিত। এর ফলে বছরের অনেক সময় এই অঞ্ছলে এইরকম ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে থাকে।