ওঙ্কার ডেস্ক: মায়ের সই জাল করে জইমি বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ এক উচ্চ পদস্থ সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে ওই বৃদ্ধা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। সরকারি পদে থেকে এমন জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত থাকায় প্রশাসনিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের হাপুর জেলায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই সরকারি আধিকারিকের নাম সীমা চৌধরী। তিনি ডিস্ট্রিক্ট সাপ্লাই অফিসার হিসেবে কর্মরত। তাঁর মা মুনেশ রানি পুলিশের কাছে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগ পেয়ে সাহারানপুরের সারসাওয়া থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সারসাওয়া থানা এলাকার বাসিন্দা মুনেশ রানির অভিযোগ, তাঁর মেয়ে সীমা এবং আরও কয়েকজন মিলে তাঁর জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে সম্পত্তির নথিতে তাঁর সই জাল করেছেন। মায়ের দাবি, তাঁর অগোচরে ও সম্মতি ছাড়াই প্রতারণামূলকভাবে ওই জমি বিক্রির চেষ্টা চলছিল। জমি সংক্রান্ত প্রতারণা ছাড়াও, ওই সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ এনেছেন তাঁর মা। মুনেশ রানির দাবি, ডিএসও সীমা চৌধুরী গোপনে তাঁর নামে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালাতেন। ‘অবৈধ আয়’ বা হিসাববহির্ভূত অর্থ সেই অ্যাকাউন্টে জমা রাখা ও সরানোর কাজে সেটি ব্যবহার করতেন।
ইতিমধ্যে বৃদ্ধার অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় সীমা চৌধরীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। জমির নথির ফরেনসিক পরীক্ষা এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগ প্রসঙ্গে, ডিএসও সীমা চৌধরী কিছু বলেননি।