ওঙ্কার ডেস্ক: গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইজরায়েলের সংঘর্ষ বিরতিতে মধ্যস্থতা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পর হামাস বহু ইজরায়েলি পণবন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। এই আবহে চাঞ্চল্যকর দাবি করল মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক। শনিবার মার্কিন বিদেশ দফতরের তরফে জানানো হল, তাদের কাছে ‘বিশ্বাসযোগ্য রিপোর্ট’ আছে যে হামাস গাজার বেসামরিক নাগরিকদের উপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। ওয়াশিংটনের মতে এই পদক্ষেপ হবে স্পষ্ট ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’।
একটি বিবৃতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, ‘প্যালেস্টাইনের বেসামরিক নাগরিকদের উপর এই পরিকল্পিত আক্রমণ যুদ্ধবিরতি চুক্তির সরাসরি এবং গুরুতর লঙ্ঘন এবং মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জিত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘হামাস যদি এই আক্রমণ চালিয়ে যায়, তাহলে গাজার জনগণকে রক্ষা করার এবং যুদ্ধবিরতির অখণ্ডতা রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তবে হামাস কেন নিজেদের নাগরিকদের উপর হামলা চালাতে যাবে তা স্পষ্ট নয়। এই পদক্ষেপগুলির কী প্রভাব পড়বে তা বিবৃতিতে বলা হয়নি, যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে হামাসকে হুমকি দিয়েছিলেন বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার জন্য। নিজের মালিকানাধীন সমাজ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যদি হামাস গাজায় মানুষ হত্যা অব্যাহত রাখে, যা চুক্তি ছিল না, তাহলে আমাদের সেখানে গিয়ে তাদের হত্যা করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না।’ তবে তিনি ‘আমরা’ বলতে কাদের বোঝাতে চেয়েছেন তা নির্দিষ্ট করে বলেননি। প্রসঙ্গত, হামাস এবং ইজরায়েল গত সপ্তাহে একটি শান্তি চুক্তিতে রাজি হয়েছে যার ফলে ইজরায়েল গাজায় তাদের সামরিক আক্রমণ বন্ধ করে। পাশাপাশি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর প্যালেস্টাইনি গোষ্ঠীর হেফাজতে থাকা পণবন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়।
