ওঙ্কার ডেস্কঃ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যুর পর আবারও উত্তপ্ত বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘প্রথম আলো’-সহ একাধিক অফিসে অগ্নিসংযোগ থেকে শুরু করে মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বঙ্গবন্ধুর বাড়িও। ওপার বাংলার অশান্তির আঁচ কোনওভাবে যাতে বাংলায় এসে না পড়ে সে জন্য সতর্ক সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। কার্যত নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে দীর্ঘ সীমান্ত সংলগ্ন জনপদ। ড্রোন, থার্মাল ক্যামেরা, নাইটভিশন ক্যামেরা, সিসিটিভি ক্যামেরার সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে।
‘চিকেনস নেক’ মানে ‘শিলিগুড়ি করিডোর’ রক্ষায় বাংলাদেশ সীমান্তের পাশে অসমের ধুবড়ি সংলগ্ন বামুনি, বিহারের কিশনগঞ্জ এবং উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এলাকায় তিনটি সামরিক ঘাঁটিকে সতর্ক করা হয়েছে। হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকে এই এলাকায় সামরিক বাহিনীর তৎপরতা বেড়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ওই ইউনিটের তৎপরতা বেড়েছে বহুগুন।
গোয়েন্দা সূত্রের খবর, বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিক ও কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠানের উপর বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক কষছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। সূত্রের খবর, বছর শেষের আগেই নাকি বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার দপ্তর, ভিসা দপ্তরে আত্মঘাতী হামলা ছক আইএসআইয়ের।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বাংলাদেশে ভারত বিরোধী কার্যক্রমের মূলে রয়েছে আইএসআই-র ছক। সম্প্রতি ‘মোহাজির রেজিমেন্ট’ নামে একটি নতুন জঙ্গি ইউনিট গঠনের তথ্যও মিলেছে। যেখানে বাংলাদেশে থাকা পাকিস্তানি যুবকদের নিয়োগ করা হয়েছে। এই ইউনিটকে আত্মঘাতী হামলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিক খবর পেয়েছে গোয়েন্দারা।
