ওঙ্কার ডেস্ক: ইরানের দুই শীর্ষ কর্তাকে খুনের ছক ছিল ইজরায়েলের! এমনই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ওই দুই ইরানি কর্তা হলেন বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। এই পরিকল্পনার কথা জানার পর ট্রাম্প প্রশাসন ইজরায়েলকে সতর্ক করার জন্য পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশকে অনুরোধ করেছিল।
গত এপ্রিলে আরাঘচি এবং ঘালিবাফের উপর হামলা করা হতে পারে আশঙ্কা করেছিল ওয়াশিংটন। চলতি বছরের ওই সময় থেকেই অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তির জন্য আলোচনার টেবিলে বসেছিল তেহরান ও ওয়াশিংটনের কর্তারা। ট্রাম্প প্রশাসনের আশঙ্কা ছিল, ইরানের ওই দুই কর্তার উপর যদি ইজরায়েলে হামলা চালায় তাহলে গোটা আলোচনা প্রক্রিয়া ভেস্তে যাবে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ ভাবে হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল। সেই অভিযানের পর তেহরানের একাধিক শীর্ষ নেতাই ইজরায়েলের নিশানায় ছিলেন। কিন্তু এপ্রিলে ইরানের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসে ট্রাম্প প্রশাসন। তার পরেই নিজেদের অবস্থান বদল করে ওয়াশিংটন। ট্রাম্প প্রশাসনের আশঙ্কা ছিল, ইজরায়েল যদি আরাঘচি এবং ঘালিবাফকে হত্যা করে, তা হলে আলোচনা প্রক্রিয়া বিগড়ে যাবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথ ভাবে হামলা চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইকে হত্যা করেছে। তার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও। জ্বালানির সঙ্কট তৈরি হয় একাধিক দেশে। বর্তমানে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি সমঝোতা হয়েছে। সেই আবহে এই তথ্য প্রকাশ্যে আসায় আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।