ওঙ্কার ডেস্ক: নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমে চর্চায় এসেছিল বলেন্দ্র শাহের নাম। যদিও পরে বিক্ষোভকারীরা সেদেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি সুশীলা কার্কির নাম বেছেছেন। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বলেন্দ্র শাহও সুশীলার পক্ষে সওয়াল করেছেন। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নেপালের সেনা ও রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেলে সুশীলার প্রধানমন্ত্রী হওয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা।
সুশীলা কার্কির পক্ষে সওয়াল করে সমাজ মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন বলেন্দ্র। তিনি লিখেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমি দেশের প্রধান হিসাবে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে সমর্থন করছি।’ পাশাপাশি নতুন অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্য দিকে, সোমবার ও মঙ্গলবার বিক্ষোভে উত্তাল থাকার পর বুধবার অপেক্ষাকৃত কিছুটা শান্ত ছিল নেপাল। দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডু, ললিতপুর এবং ভক্তপুরে বৃহস্পতিবার কার্ফু কিছুটা শিথিল করেছে সেনা। বলা হয়েছে, সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত জরুরি কাজে বাইরে বেরোতে পারবেন লোকজন। এ ছাড়া বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্তও বাইরে বেরোনোর ছাড় দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নেপালের বাজারগুলিতে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
উল্লেখ্য, নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের পরবর্তী প্রধান কে হবেন, তা নিয়ে বুধবার আন্দোলনকারী ছাত্র যুবরা কাঠমান্ডুতে আলোচনায় বসেছিলেন। সেই আলোচনায় অনলাইনেও বিভিন্ন জায়গা থেকে আন্দোলনকারীরা যোগ দিয়েছিলেন। প্রায় পাঁচ হাজারেরও বেশি আন্দোলনকারী সুশীলা কার্কিকে বেছে নেন।
