ওঙ্কার ডেস্ক: দিল্লিতে অবস্থানরত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশ নিয়ে স্পষ্টভাবে জানালেন, তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া উচিত এবং সেই সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশিত। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে আলোচনা করতেই তিনি এই বৈঠকে অংশ নেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার অধিকার তাঁর রয়েছে এবং দেশের মানুষের স্বার্থে রাজনৈতিকভাবে কাজ চালিয়ে যেতে চান। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ না পেলে গণতন্ত্রের পরিসর সংকুচিত হবে। তাই ভারতে থাকার সময়টুকু যেন রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন, সে বিষয়েই তিনি আবেদন জানান।
২০২৪ সালের জুলাই বিক্ষোভের পর থেকেই তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। সেই সময় থেকেই সরাসরি জনসমক্ষে না এলেও ডিজিটাল মাধ্যমে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। বিভিন্ন বৈঠক ও আলোচনা অনলাইনে করেছেন এবং দলীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে দিল্লি থেকে এমন প্রকাশ্যে ভিডিও-র মাধ্যমে রাজনৈতিক বার্তা এই প্রথমবার।
অন্যদিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, বিদেশে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে এই পরিস্থিতি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তাঁর সক্রিয়তার ইঙ্গিত রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
