ওঙ্কার ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা চলমান। এই আবহে ইরানের বিদেশ মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে না তাঁরা। পাশাপাশি এই অঞ্চলে সামরিক মোতায়েনে তেহরান ভয় পায় না বলে জানান তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানকে হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের দিকে ‘বিশাল অস্ত্র ভাণ্ডার’ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর প্রতিক্রিয়ায় আরাঘচি বলেন, তেহরান যে কোনও আগ্রাসনের ‘তাৎক্ষণিক এবং শক্তিশালী জবাব’ দিতে প্রস্তুত।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে ইরান উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ করবে তেহরান, শনিবার আরাঘচি সতর্ক করেন ওয়াশিংটনকে। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমকে ইরানের বিদেশ মন্ত্রী বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে আক্রমণ করা সম্ভব হবে না, তবে আমরা এই অঞ্চলে তাদের ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করব।’ উল্লেখ্য, গত বছর ইজরায়েলের উপর প্রায় ৫০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল ইরান। যদিও তাতে খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের রিপোর্ট অনুসারে, ইরানের কাছে আনুমানিক ২০০০টি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যা দিয়ে এই অঞ্চল জুড়ে আক্রমণ করতে পারে তেহরান। কম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে ইরানের কাছে, যা দিয়ে উপসাগরে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে আঘাত হানতে পারবে তারা। ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলি এখন ইরানের প্রতিরোধের মেরুদণ্ড বলে মন্তব্য করেছেন ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অফ ডেমোক্রেসিজের ইরান প্রোগ্রামের সিনিয়র ডিরেক্টর বেহনাম বেন তালেবলু। তিনি ওয়াশিংটন পোস্টকে এ কথা বলেছেন। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এখন উত্তেজনা প্রশমিত হয় কিনা সেদিকেই নজর পর্যবেক্ষকদের।
