ওঙ্কার ডেস্ক: থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সীমান্তে চলমান সংঘাতের মাঝে ভেঙে ফেলা হল বিষ্ণু মূর্তি। যে ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই ঘটনার বিরোধিতা করে উভয় পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের বার্তা দিয়েছেন।
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বিবৃতিতে বলেছেন, ‘থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্ত বিরোধের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে নির্মিত একটি হিন্দু ধর্মীয় দেবতার মূর্তি ভেঙে ফেলার খবর আমরা দেখেছি। যেটি ছিল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায়। আমাদের যৌথ সভ্যতাগত ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে, এই অঞ্চলের মানুষ হিন্দু ও বৌদ্ধ দেবতাদের গভীরভাবে শ্রদ্ধা ও পুজো করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই ধরনের অসম্মানজনক কাজ বিশ্বজুড়ে ভক্তদের অনুভূতিতে আঘাত করে এবং তা উচিত নয়। শান্তি ফেরাতে এবং প্রাণহানি, সম্পত্তি ও ঐতিহ্যের ক্ষতি এড়াতে আমরা আবারও উভয় পক্ষকে সংলাপ এবং কূটনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ওই বিষ্ণু মূর্তিটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সম্প্রতি সেটি থাই সেনার ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিট বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করে দেয়। সেই মুহূর্তের ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। যার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সনাতন ধর্মের অনুসারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে বিষয়টি নিয়ে থাইল্যান্ডের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে কম্বোডিয়ার তরফে গোটা ঘটনার নিন্দা জানানো হয়। মূর্তিটি কম্বোডিয়ার প্রেহ ভিহিয়ার প্রদেশের অ্যান সেস এলাকায় ছিল। থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু হয় গত জুলাই মাসে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যস্থতা করায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় দুই পক্ষ। চলতি ডিসেম্বরে আবার সংঘর্ষে জড়ায় থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া।
