ওঙ্কার ডেস্ক: দ্বিতীয়বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে বসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যে শুল্ক চাপিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাদ যায়নি চিনও। চিনের পণ্যের উপরও চড়া হারে শুল্ক চাপিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। বেজিঙের তরফেও পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয় মার্কিন পণ্যে। তবে দুই দেশই পরস্পরকে শুল্কযুদ্ধ থেকে রেহাই দিতে আগেই ৯০ দিনের জন্য শুল্ক আরোপ স্থগিত রেখেছিল। সেই মেয়াদ ১২ আগস্ট শেষ হতে চলেছে। তার আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিন শুল্ক স্থগিতের মেয়াদ আরও ৯০ দিনের জন্য বাড়াল। মূলত দুই দেশের মধ্যে দর কষাকষি করতে এই সময় নেওয়া হল বলে মত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
উল্লেখ্য, গত ১২ মে বেজিং ও ওয়াশিংটন ৯০ দিনের জন্য শুল্ক যুদ্ধ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। উভয়েই পরস্পরের উপর থেকে ১১৫ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে আনে। বর্তমানে চিনের বাজারে মার্কিন পণ্যের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা রয়েছে এবং মার্কিন বাজারে চিনা পণ্যের উপর শুল্ক চাপানো হয়েছে ৩০ শতাংশ। ১২ আগস্ট সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দু’দেশ শুল্ক নিয়ে আলোচনার জন্য ফের ৯০ দিনের জন্য শুল্ক আরোপ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিল।
ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই অভিযোগ করেছিলেন, ব্যথা নিরাময়ের ওষুধ ফেন্টানাইল নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিযোগ চিন থেকে এই পণ্যটি প্রবেশ করছে তাঁদের দেশে। তার জন্য ট্রাম্প শুল্কও চাপান চিনা পণ্যের উপর। চিনা পণ্যের উপর সব মিলিয়ে ১৪৫ শতাংশ শুল্কের পরিমাণ চাপায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পাল্টা চিনও ১২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে দেয় মার্কিন পণ্যে।
