স্পোর্টস রিপোর্টার, ওঙ্কার বাংলা: অবশেষে জট খুলছে আইএসএলের। খুব সম্ভবত আগামী ৫ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হবে ভারতের এক নম্বর লিগ। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় ক্লাব জোটের প্রস্তাবে সিলমোহর দিল ফেডারেশন। ব্রডকাস্টিং ফি বিক্রি হবে, নিয়ন্ত্রণ থাকবে ক্লাব জোটের হাতে, ফেডারেশনের প্রতিনিধি ও ক্লাব জোটের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হবে। ২০ বছরের জন্য এই চুক্তি হতে চলেছে।
প্রস্তাবটি সম্পূর্ণ সুপ্রিম কোর্টে পেশ করবে ফেডারেশন। বৈঠকের পর যে মডেল সামনে এসেছে লিগের মালিকানা ও পরিচালনের দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। টানা ২০ টি মরসুম এই ব্যবস্থাটি কার্যকর থাকবে। টুর্নামেন্ট পরিচালিত হবে একটি নির্দিষ্ট সেন্ট্রাল অপারেশনাল বাজেটের মাধ্যমে, যার প্রাথমিক পরিমাণ ধরা হয়েছে ৭০ কোটি টাকা। সূত্রের খবর, এই বাজেট গঠিত হবে এআইএফএফ-এর অংশগ্রহণকারী ক্লাব এবং সম্ভাব্য বাণিজ্যিক অংশীদারের কাছ থেকে সংগৃহীত লীগ মেম্বারশিপ কন্ট্রিবিউশন এর মাধ্যমে।
লিগ পরিচালনা, ক্লাব লাইসেন্সিং, সম্প্রচার, বিপণন, ম্যাচ অফিশিয়াল, যুব লীগ, অ্যান্টি রডপিং ও পুরষ্কার মূল্য সমস্ত কিছুই খরচ করা হবে এই বাজেট থেকে। প্রতিটি অংশগ্রহনকারী ক্লাবকে মরসুমের শুরুতে ফেডারেশনকে ১ কোটি টাকা অংশগ্রহণ ফি হিসেবে দিতে হবে। যদিও এই অর্থ পরে কেন্দ্রীয় রাজস্ব থেকে ফেরত দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে অপারেশনাল বাজেট বাড়লে এই ফি আনুপাতিক হারে বাড়বে। নতুন মডেলে রাজস্ব বন্টনের হার নির্ধারন করা হয়েছে, ফেডারেশন পাবে ১০ শতাংশ এবং অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলি পাবে ৫০ শতাংশ। ক্লাবগুলির জন্য নির্দিষ্ট ফিক্সড রেভিনিউ শেয়ার থাকবে ১০ শতাংশ এবং সম্ভাব্য বাণিজ্যিক অংশীদারের জন্য বরাদ্দ থাকবে ৩০ শতাংশ।
বাণিজ্যিক অংশীদার চাইলে অতিরিক্ত অর্থ বিনিয়োগ করে ফেডারেশনের রাজস্বের অংশ থেকে শেয়ার কিনতে পারবে, লিগটি হবে সম্পূর্ণ ওপেন মডেলে। যেখানে প্রমোশন ও রেলিগেশনের ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে লিগে বিনিয়োগকারী ক্লাবগুলির স্বার্থ সুরক্ষায় বিশেষ ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে। আট বছরের বেশি সময় ধরে অংশগ্রহণকারী ক্লাব সর্বোচ্চ এক শতাংশ ফিক্সড রেভিনিউ ধরে রাখতে পারবে। রেলিগেট হওয়া ক্লাবগুলির জন্য প্যারাসুট পেমেন্টেরও ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে।
