ওঙ্কার ডেস্ক: অমরনাথ যাত্রা শুরু হয়েছে শুক্রবার। জম্মুকাশ্মীরের বালতাল ও নুনওয়ান বেস ক্যাম্প থেকে এদিন তীর্থযাত্রীদের প্রথম দল পবিত্র গুহা মন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। গান্দেরবালের বালতাল-ডোমাইল বেস ক্যাম্প থেকে পুণ্যার্থীদের প্রথম দলটির যাত্রার সূচনা করেন ডেপুটি কমিশনার যতীন কিশোর। সঙ্গে ছিলেন ডিআইজি মাকসুদ-উল-জামান, গান্দেরবালের এসএসপি সুধাংশু ধামা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক, পুলিশ কর্তারা। পবিত্র এই তীর্থযাত্রা নিয়ে জম্মুকাশ্মীরের প্রশাসন কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নিরাপদ ও সুষ্ঠু তীর্থযাত্রা নিশ্চিত করতে পহেলগাঁও ও বালতাল—উভয় পথেই নিরাপত্তা, চিকিৎসা সহায়তা, যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগাম রেজিস্ট্রেশন ছাড়া তীর্থযাত্রীদের ভ্রমণে অনুমতি দেওয়া হবে না। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যাত্রাপথে প্রতিদিন কত তীর্থযাত্রী যেতে পারবেন, তার সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই বিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, যাত্রা শুরুর আগেই সারা দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্কের শাখা ও অনলাইনের মাধ্যমে অগ্রিম রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। অধিকাংশ তীর্থযাত্রী সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
‘তৎকাল’ বা তাৎক্ষণিক রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ অত্যন্ত কম থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সব তীর্থযাত্রীর উচিত অগ্রিম রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেই জম্মুকাশ্মীরে ভ্রমণ করা। নির্দেশিকায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিদিন হাজার হাজার পুণ্যার্থী রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই চলে আসছেন, যার ফলে এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে ‘তৎকাল’ ব্যবস্থার আওতায় জায়গা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ছে। যাঁরা রেজিস্ট্রেশন না করে চলে আসছেন তাঁদেরকে অনুরোধ করা হয়েছে, অপেক্ষা করার জন্য। রেজিস্ট্রেশন করেছেন এমন তীর্থযাত্রীদের মধ্যে কেউ কেউ নির্ধারিত দিনের আগেই চলে আসছেন। নির্দেশিকা অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশনে নির্ধারিত তারিখের আগে কোনও তীর্থযাত্রীকে যাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে না। নির্ধারিত তারিখেই ভ্রমণের অনুরোধ জানানো হয়েছে পুণ্যার্থীদের।