ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলে ভাঙনের পর দিল্লিতে প্রতিদিন নিত্য নতুন ঘটনার ঘনঘটা চলছেই। শনিবারই রাজধানীতে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, যার ফলে প্রায় পাকা বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে সুদীপের নাম লেখানো। তবে বিক্ষুদ্ধ গোষ্ঠীতে যাওয়ার পর খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছেন কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ। এখন শোনা যাচ্ছে, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বদলে তিনিই হতে চলেছেন লোকসভায় বিদ্রোহী সাংসদদের নেতা।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। চিটফান্ড মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়ে জেলও খাটেন কয়েকবছর। জামিনে ছাড়া পেয়ে আবার রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। কলকাতা উত্তর লোকসভা আসনটি তিনি ধরে রাখতে সক্ষম হন তৃণমূলের টিকিটে। তৃণমূল সুপ্রিমো সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে লোকসভার দলনেতার পদ দিয়েছিলেন। দিল্লিতে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তৃণমূলের সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সুদীপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন।
সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের ২৮ জনের মধ্যে ১৯ জন সাংসদ এনডিএ-কে সমর্থনের কথা জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন। তার আগেতাঁদের মধ্যে বেশ কয়েক জন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিক্ষুদ্ধ এই সাংসদদের নেতৃত্বে ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। কিন্তু সুদীপ নয়া গোষ্ঠীতে নাম লেখানোর পর কাকলির গুরুত্ব কমতে চলেছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত। সূত্রের খবর, সোমবার বিদ্রোহী তৃণমূলে সাংসদরা স্পিকারকে ফের চিঠি দিতে পারেন। স্পিকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে তাঁরা আলাদা ব্লকের স্বীকৃতি পাবেন কিনা।