নিজস্ব সংবাদদাতা, নদিয়া : কালীগঞ্জে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের বোমায় নিহত তামান্নার পরিবারের সাথে দেখা করতে এসে পুলিশ সুপারকে তীব্র আক্রমণ করলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরীর। তার অভিযোগ তদন্তকে বিপথগামী করতে পুলিশ সুপার প্রথম থেকেই চেষ্টা করছে ।
কালিগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের গণনার দিনে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমায় নিহত হয় ১০ বছরের ছোট্টো তামান্না। সেই তামান্নার বাড়িতে তার পরিবারের লোকের সাথে দেখা করতে কালীগঞ্জের মোলান্দী গ্রামে আসেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। বেশ কিছুক্ষণ তামান্নার মার সাথে তিনি কথা বলেন এবং সান্তনা দেন এবং এই লড়াইয়ে পাশে থাকার আশ্বাস ও দেন অধীর।
এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অধীর বলেন বাংলা একটা নতুন কালচার তৈরি হয়েছে তৃণমূল দল করলেই যে কোনো রকম অপরাধমূলক কাজ করা যেতে পারে তাতে পুলিশ প্রশাসন দুষ্কৃতীদের সুরক্ষা দেবে। তিনি আরো বলেন এখনো ভয় ভীতি প্রদর্শন চলছে তমন্নার পরিবারের উপর, আমরা আশঙ্কা করছি তামান্নার পরিবারের উপর হামলা হতে পারে বলে। এরপর তিনি জেলার পুলিশ সুপারকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন এই জেলার পুলিশ সুপার তদন্তকে বিপথগামী করতেই প্রথম থেকে চেষ্টা করে গেছেন, এবং প্রথমে তিনি বলেছিলেন একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে, এবং তমান্নার এই মৃত্যু দুর্ঘটনা জনিত কারণেও হতে পারে। জেলার পুলিশ সুপার, কে.অমরনাথ কে তীব্র কটাক্ষ করে তিনি বলেন এই তদন্তকে তিনি প্রথম থেকেই বিপথগামী করতে অনেক প্রচেষ্টা করেছেন কিন্তু বাংলার মানুষ যেভাবে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন এই কারণে পুলিশ প্রশাসন অসফল হয়েছে ।
তামান্নার মৃত্যুর পর থেকে সাড়া পরে গিয়েছে রাজ্য রাজনিতীতে যদিও একবারও তামান্নার পরিবারের সাথে দেখা করতে যাননি কালিগঞ্জের নবনির্বাচিত তৃনমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ। তামান্নার পরিবারকে আইন এবং প্রসাসন শেষমেশ বিচার এনে দিতে পারে কিনা সেটাই এখন দেখার।
