ওঙ্কার ডেস্ক: লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্য রাজিনীতিতে চর্চায় উঠে এসেছেন হুগলির শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে দলীয় বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে দলের সমস্ত সাংসদ বিধায়ককে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইস্তফার ২৪ ঘন্টা পর আয়োজিত হওয়া সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের বৈঠকে গরহাজির থেকে কি দলের সঙ্গে দূরত্ব আরও বাড়ালেন আইনজীবী সাংসদ? এই প্রশ্ন এখন জোরালো হয়ে উঠেছে।
প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার দলীয় সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বলেছিলেন লোকসভায় সমন্বয় ঠিক মতো হচ্ছে না বলে। এর পর লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে ইস্তফা দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ইস্তফা দেওয়ার পর তৃণমূল সুপ্রিমো তা গ্রহণও করে নিয়েছেন। পর দিন মঙ্গলবার অভিষেকের ডাকে বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে গরহাজির ছিলেন কল্যাণ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কল্যাণ আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি বৈঠকে থাকতে পারবেন না বলে। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ কল্যাণের সেই কথায় কোনও আপত্তি জানাননি বা থাকার জন্য জোরাজুরিও করেননি।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে দলের বিভিন্ন স্তরের চার হাজার নেতা, জনপ্রতিনিধি ও পদাধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা বা এসআইআর নিয়ে চর্চার মাঝে যে বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। বৈঠকে তৃণমূলের সাংসদ, বিধায়ক, মেয়র, জেলা পরিষদের সদস্য, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিদের যোগ দিতে বলা হয়েছিল।
