নিজস্ব সংবাদদাতা , পূর্ব মেদিনীপুর : ২৬ শে বিধানসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই তৎপর হচ্ছে বিজেপি। রাজ্যের বিজেপি নেতৃতে হয়েছে রদবদল। এবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরী সমবায় সমিতিতে বিপুল জয়ের ফলে জেলা বিজেপিতে উৎসাহ আরও বাড়লো। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস খাতা খুলতে পারলো না খেজুরী সমবায় সমিতিতে। বুধবার খেজুরী ১ ব্লকের কামারদা দেউলবাড় সমবায় সমিতি প্রতিনিধি নির্বাচন ছিল। নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকে উত্তেজনা ছিল। সমবায় সমিতিতে মোট ৯টি আসনে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি সমর্থিত প্রার্থী দিয়েছিলো । নির্বাচনকে ঘিরে কোন অশান্তি এড়াতে মোতায়েন করা হয় খেজুরি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।
বুধবার সকাল দশটা থেকে ভোটদান প্রক্রিয়া শুরু হয়। তারপর বিকেল তিনটা নাগাদ ভোট গণনা শুরু হয়। বিজেপি সমর্থিত ৮ জন প্রার্থী জয়লাভ করে। একটিও আসনে জিততে পারেনি শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জয়লাভ করার পর রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতৃত্বরা। যদিও এই জয় নিয়ে গুরুত্ব দিতে নারাজ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।
খেজুরির বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা শান্তনু প্রামাণিক বলেন ” বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা প্রত্যেকটি আসনে জয়লাভ করেছে। ২৬ শে বিধানসভা ভোটে খেজুরি থেকে বিপুলভাবে জয়লাভ করবে বিজেপি প্রার্থী “। যদিও পাল্টা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব দাবি ” সমবায় সমিতি নির্বাচনে কোন প্রতীক থাকে না। এই জয় নিয়ে বিজেপি উল্লাসের কোন কারণ নেই “।
উল্লেখ্য, গত রবিবার খেজুরি ২ ব্লকের কশতলা দারিকানাথ সমবায় সমিতি নির্বাচন ছিল। সমবায় সমিতিতে আসন ছিল নটি। প্রত্যেকটি আসনে বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছে। একের পর এক সমবায় সমিতি জয়ের পর বিজেপি অনেকটাই রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে বলে রাজনীতি বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এখন পাখির চোখ ২৬ এর নির্বাচন।
