স্পোর্টস রিপোর্টার : পাঠচক্রর বিরুদ্ধে জয় দিয়ে কলকাতা লিগের অভিযান শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে খিদিরপুরের কাছে ১-১ ব্যবধানে আটকে গেলো মোহনবাগান।রথযাত্রার দিন জয়ের রথ আটকানোয় ঘরের মাঠে ম্যাচের দলের খেলা দেখে হতাশ সমর্থকরা।চতুর্থ মিনিটেই প্রথম কর্নার পায় মোহনবাগান। রাজ বাসফোরের নেওয়া সেই কর্নার অবশ্য ফলপ্রসূ ছিল না। পরক্ষণেই পালটা আক্রমণে ওঠে খিদিরপুর। বাগান রক্ষণ সতর্ক থাকায় বিপদ হয়নি। প্রথম ১০ মিনিটেই তিন-তিনবার আক্রমণ শানিয়ে সবুজ-মেরুন রক্ষণকে চাপে রাখে খিদিরপুর। ১৮ মিনিটে কিয়ান নাসিরির ফ্রিকিক দারুণ দক্ষতায় ফিস্ট করে রুখে দেন খিদিরপুর গোলরক্ষক অর্ধেন্দু দত্ত। এরপর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরেন বাস্তব রায়ের ছেলেরা। ২৭ মিনিটে বাঁদিক দিয়ে দুরন্ত দৌড়ে বক্সে ঢুকে পড়েন কিয়ান। তাঁকে আটকাতে দুই ডিফেন্ডার এগিয়ে আসতেই ফাঁকা জায়গায় বল বাড়ান তিনি। সুযোগ কাজে লাগিয়ে সুন্দর ফিনিশে দলকে এগিয়ে দেন সন্দীপ মালিক। এর পাঁচ মিনিট পর সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোরাল শটও দুর্দান্ত সেভ করেন অর্ধেন্দু। প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানেই এগিয়ে ছিল মোহনবাগান।বিরতির পর ৪৬ মিনিটে সায়নের ক্রস থেকে সুহেল ভাট সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। তারই এক মিনিট পরে পালটা আঘাত হানে খিদিরপুর। তুহিন শিকদারের গোলে ১-১ সমতা ফেরে। এরপর একাধিক সুযোগ পেয়েও জয়ের গোল আর খুঁজে পায়নি মোহনবাগান। ৪৯ মিনিটে সন্দীপ মালিকের ভাসানো ক্রস বারের উপর দিয়ে চলে যায়। ৫৩ মিনিটে সায়নের থ্রু বল থেকে কিয়ানকে পাস না দিয়ে নিজেই অহেতুক সময় নষ্ট করেন সুহেল। ফলে সুযোগ হাতছাড়া হয়। এরপর একাধিক সুযোগ পায় দুই দলই তবে গোলের মুখ কেউই খুলতে পারেনি।নিজের প্রাক্তন দল মোহনবাগানকে আটকে খুশি বাগান কোচ মেহেতাব হোসেন। এদিকে আগামী ১৯ জুলাই কালীঘাট এমএসের বিরুদ্ধে মোহনবাগানের ম্যাচ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেটি সিকোয়েন্স অনুযায়ী চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচ, কিন্তু তৃতীয় রাউন্ডে ইউনাইটেড কলকাতা স্পোর্টস ক্লাবের বিরুদ্ধে ম্যাচ দেয়নি আইএফএ। এর প্রতিবাদে আইএফএকে কড়া ইমেল পাঠাল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।ডুরান্ড কাপের জন্য আগামী ২১-২৭ জুলাই কলকাতা লিগের ম্যাচ খেলবে না মোহনবাগান, সেই মর্মে আইএফএকে মেইল মোহনবাগান এসজির।