ওঙ্কার ডেস্ক: তারাতলার গোডাউন ভেঙ্গে পরার চার দিন পরও উদ্ধার কাজ এখনও বর্তমান। ইতিমধ্যেই ৩১ জনকে উদ্ধার করে SSKM হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যাঁদের মধ্যে ১৭ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেছে চিকিৎসকেরা। ধ্বংসস্তুপের নীচে আরও কেউ আটকে থাকতে পারে, এই আশঙ্কায় এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। সেনা বাহিনী, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এখনও খোঁজ চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২৪ তারিখ বুধবার দুপুর বেলায় তারাতলায় হঠাৎ একটি আস্ত গোডাউন ভেঙ্গে পরে। ঘটনার সময় আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে বলে জানানো হয়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তাদের উদ্ধারের কাজ শুরু করে প্রশাসন। সেনা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী শুরু করে উদ্ধার কাজ। লাগাতার চার দিনের অভিযানের পর ৩১ জনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করতে সক্ষম হয়েছে বাহিনী। যাঁদের মধ্যে ১৭ জন মারা গিয়েছে বলে জানা গেছে। মৃতদের মধ্যে গোডাউনের ঠিকাদার আসগার হুসেনের দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনায় ইতিমধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একাধিক ব্যাক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে।
ঘটনার পর এলাকা পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার বিধানসভা থেকে তিনি পুরো ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। দুর্ঘটনায় আক্রান্ত এবং তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তিনি বারংবার পুর্ববর্তী তৃণমূল সরকারকে দোষারোপ করেছেন। অবৈধ নির্মানে অনুমতি, কাটমানির টাকা আত্মসাৎ-এর আরোপ এনেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বিধানসভায় পুর্ববর্তী কলকাতার মেয়র ফিরাদ হাকিমের সই করা নথি দেখান। তিনি দাবি তোলেন, তৃণমূল কলকাতা শহরকে মৃত্যুপুরি বানিয়েছে।