ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্যে পালা বদলের পর পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু। এদিকে আয়বহির্ভূত সম্পত্তি থাকার অভিযোগে রাজারহাট গোপালপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সি এবং তাঁর স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ। এই আবহে অদিতি-দেবরাজের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলরের অস্বাভাবিক মৃত্যু হল। ঘর থেকে উদ্ধার হল ঝুলন্ত দেহ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল কাউন্সিলরের নাম সঞ্জয় দাস। দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন তিনি। শনিবার সকালে ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। সূত্রের খবর, গত কয়েক দিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন সঞ্জয়। কিন্তু কী কারণে এই মৃত্যু, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তৃণমূলের স্থানীয় এক নেতা জানান, দেবরাজের ঘনিষ্ঠ ছিলেন সঞ্জয়। তিনি যে পুরসভা ভোটে টিকিট পেয়েছেন, তার নেপথ্যে হাত রয়েছে দেবরাজের। এ ছাড়া অদিতি মুন্সির হয়ে প্রচারে সমাজ মাধ্যমেও ধারাবাহিক ভাবে সক্রিয় ছিলেন তিনি। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তবে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হলেও ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য দেবরাজ এবং অদিতি সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে যে আয়বহির্ভূত ভাবে ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির অভিযোগ রয়েছে, তা থেকে গ্রেফতারি এড়াতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দম্পতি। আদালত ১৯ জুন পর্যন্ত দেবরাজ অদিতিকে গ্রেফতার না করার নির্দেশ দিয়েছে।