ওঙ্কার ডেস্কঃ আর জি কর কান্ড নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়েছিল। মেয়ের মৃত্যুর সুবিচারের আশায় বিজেপির হয়ে ভোটে লড়েছেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। পালাবদলের পর নদী দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। গত কয়েকদিনে তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ-বিধায়কদের অনেকের মুখেই শোনা গিয়েছে আর কি কর কাণ্ডের কথা। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে ‘বিদ্রোহী’দের একহাত নিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন তৃণমূল সরকার তথ্য গোপন করেছে, এই অভিযোগ বহুদিনের। কল্যাণের মন্তব্য সেই অভিযোগই যেন আরও উসকে দিল। কল্যাণ বলেন, “আর জি কর ইস্যুতে কাকলি আর শর্মিলা দুই ডাক্তার কবে রাস্তায় নেমেছিল? আমি হেঁটেছি। বেচারা অভয়া, মা রাজনীতি করল ওকে নিয়ে, এখন এরাও করছে। কাকলি আর শর্মিলাকে চ্যালেঞ্জ করছি, পারলে আর জি করে কী হয়েছে সিবিআইকে গিয়ে বলুন ওনারা।” তাঁর এহেন মন্তব্য কিছুটা পরস্পরবিরোধী বলেও মনে করা হচ্ছে।
কিছুদিন আগেই ঋতব্রত-পন্থীদের বিদ্রোহে পরিষদীয় দল হারিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সংসদীয় দলের ২০ জন তৃণমূল সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগ দিতে চেয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন। এমনকি পুরসভাও হাতছাড়া মমতার।
এই পরিস্থিতিতে বিদ্রোহী শিবিরের নেতাদের ‘সুখের পায়রা’ বলে আক্রমণ শানালেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়। তিনি বলেন, “১৫ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। তাই এখনও মুখ্যমন্ত্রীর পাশে ঘুরছে। পাওয়ার ছাড়া থাকতে পারবে না। কাকলি ঘোষ ছাড়া এরা সকলে ২০১১ সালের পর দলে এসেছে। কোনও লড়াই করেনি। আর তারকারা ভিনদেশি তারা। কেষ্ট না থাকলে শতাব্দী রায় কোনওদিন জিততে পারত না। এরা তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে অন্যায় করেছে।”