ওঙ্কার ডেস্কঃ দিন কয়েক আগেই রাজ্যসভার চারটি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছিল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় যান তৃণমূলের চার প্রার্থীই। ঘড়ির কাঁটায় ১০ টা বেজে ৪৪ মিনিট নাগাদ পৌঁছন রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার। স্বামী নিসপাল সিংয়ের সঙ্গে বিধানসভায় পৌঁছন কোয়েল মল্লিকও। তবে বাবুল সুপ্রিয় পৌঁছেছেন সময়ের বেশ কিছুটা পরে। এদিন মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় গিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী রাহুল সিনহাও। বাংলার ৫ আসনের মধ্যে একটি বিজেপির। সেই আসনে প্রার্থী হয়েছেন রাহুল। বাংলার গেরুয়া ব্রিগেডের অন্যতম পুরনো নেতা তিনি।
তৃণমূল আগেই প্রার্থী হিসাবে বাবুল সুপ্রিয়, প্রাক্তন ডিজিপি রাজীব কুমার, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক এবং আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর নাম ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, গত মঙ্গলবারই বাংলার একটি মাত্র রাজ্যসভা আসনে প্রার্থী হিসাবে রাহুল সিনহার নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যের ৫ টি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন।
এই প্রথম বিধানসভায় পা রাখলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। নতুন এই দায়িত্ব পেয়ে কোয়েল মল্লিক জানান, “একটা নতুন যাত্রা। সবার ভালোবাসা, আশীর্বাদ পেলে যাত্রা সফল হবে। এটা একটা অনেক বড় দায়িত্ব। আমি জানি আমি দায়িত্ব নিয়েছি যখন, সফল হব।” অন্যদিকে মেনকা গুরুস্বামী বললেন, “আমি গর্বিত, সম্মানিত।”
রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার নতুন দায়িত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাদার টেরেসার উক্তি টেনে বলেন, “আমি জানি ভগবান আমাকে এমন কোনও দায়িত্ব দেবে না যা আমি পালন করতে পারব না।”
বিজেপির রাহুল সিনহা এতদিন পর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবার জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। বাংলা থেকে বিজেপির একমাত্র প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন রাহুল সিনহা। বৃহস্পতিবার তিনি বিধানসভায় এসেছিলেন নিজের মনোনয়ন পত্র জমা দিতে। সূত্রের খবর, মনোনয়নের ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে যে বারবার ভুল করে ফেলছেন তিনি। শেষমেশ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যর আগেকার ফর্ম খুঁজে বের করা হয়। তা দেখেই নিজের ফর্ম পূরণ করেন রাহুল সিনহা।